Diabetes Neuropathy: রোজই কাদা, বৃষ্টির জল পেরোতে হচ্ছে? ডায়াবেটিসের রোগীরা কিন্তু সাবধান!
Diabetes Foot Care: বর্ষাকাল মানে জমা জল, কাদা। এতে ত্বকের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। এর মধ্যে ডায়াবেটিকদের পায়ে কোনও ক্ষত থাকলে এবং কাদা-জলের সংস্পর্শে এলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই অবস্থায় কীভাবে পায়ের যত্ন নেবেন? রইল টিপস।

মুখ ও চুলের উপর যতটা মনোযোগ দেন, সেই একই খেয়াল রাখেন না পায়ের যত্নে। কিন্তু আপনি যদি ডায়াবেটিসের রোগী হন, এই বৃষ্টির দিনে পায়ের যত্ন নিতেই হবে। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে শুধু যে কিডনি, চোখ কিংবা হৃদপিণ্ডের ক্ষতি হয়, এমন নয়। স্নায়ুতন্ত্রের উপরও প্রভাব পড়ে। আর সেটা প্রতিফলিত হয় পায়ে। ধীরে ধীরে পায়ে দেখা দেয় অসাড়তা। একে ‘ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি’ বলে। বর্ষাকাল মানে জমা জল, কাদা। এতে ত্বকের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। এর মধ্যে ডায়াবেটিকদের পায়ে কোনও ক্ষত থাকলে এবং কাদা-জলের সংস্পর্শে এলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই অবস্থায় কীভাবে পায়ের যত্ন নেবেন? রইল টিপস।
১) অন্যদের তুলনায় ডায়াবেটিসের রোগীদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। বর্ষাকালে ছত্রাক সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি থাকে। বৃষ্টির দিনে বাইরে বেরোলে বাড়ি ফিরেই পা ধুয়ে নিন। ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার করবেন না এবং ঈষদুষ্ণ জল দিয়ে পা ধুয়ে নেবেন। এরপর অবশ্যই পা শুকনো করে মুছে নেবেন। ভিজে অবস্থায় ত্বকে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে।
২) বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকে। ত্বক শুকিয়ে যায় এবং টান ধরে। শুষ্ক ত্বক ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপযুক্ত নয়। তাই ফুট ক্রিম ব্যবহার করুন। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে।
৩) ডায়াবেটিসের রোগীদের জুতো নিয়ে সচেতন থাকা দরকার। ভাল মানের জুতো ব্যবহার করুন। পা ঢাকা জুতো পরবেন। কখনও খালি পায়ে হাঁটবেন না। আরামদায়ক জুতো ব্যবহার করুন। মোজা ব্যবহার করলে তা প্রতিদিন পরিবর্তন করবেন।
৪) ডায়াবেটিসে ছোট ক্ষতও বেশি ভোগাতে পারে। তাই পায়ে কোনও কাটাছেঁড়া থাকলে সাবধানে চলাফেরা করুন। ক্ষত যাতে জল-কাদার সংস্পর্শে না আসে, সে দিকে খেয়াল রাখুন। এতে ক্ষত কিন্তু আরও বিষিয়ে যেতে পারে।
৫) পায়ে ফোস্কা, পায়ে ক্ষত, পায়ে ব্যথা, অসাড়তা দেখা দিলে সাবধান থাকুন। ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথির জেরে ডায়াবেটিক ফুট আলসার দেখা দেয়। এমন কোনও সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
