
নয়া দিল্লি: সোমবার বিকেলে নির্বাচন কমিশনে যাবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে থেকেই উত্তাপ বাড়ছে দিল্লিতে। সোমবার সকাল থেকে আচমকা রাস্তায় নামল পুলিশ বাহিনী। দেখা গেল এক নজিরবিহীন ছবি। কার্যত ঘিরে ফেলা হচ্ছে বঙ্গ ভবন। ব্যারিকেড করে হ্যালি রোড বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কোন তথ্য আছে দিল্লি পুলিশের কাছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে বঙ্গ ভবনে যে পরিবারগুলি অপেক্ষা করছে, সেই বিষয়টি নিয়েই বাড়ছে জল্পনা।
এসআইআর আতঙ্কে বাংলায় অনেকের মৃত্যু হয়েছে বলে বারবার দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ইস্যুতে নিয়েও কমিশনের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। সঙ্গে থাকেবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ১৫ জন প্রতিনিধি। এদিকে, যে পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ, তাঁদের মধ্যে অনেকের পরিবার আগেই পৌঁছে গিয়েছে দিল্লিতে। বঙ্গ ভবনে রয়েছেন তাঁরা।
এখন প্রশ্ন হল, মৃতদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কী কর্মসূচি রয়েছে মমতার? নিছকই বৈঠক, না কি সন্তপ্ত পরিবারদের নিয়ে কমিশন ঘেরাও করবেন তৃণমূলনেত্রী? ১০০-র বেশি মানুষকে নিয়ে যখন জমায়েত করা হয়েছে, তখন শুধুই কি বৈঠক সেরে চলে যাবেন মমতা? দিল্লির রাজনীতিতে আজ এটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন। সেই জল্পনার মাঝেই কার্যত দুর্গের চেহারা নিল বঙ্গভবন।
মনে করা হচ্ছে, বঙ্গভবন থেকে কেউ বেরতে গেলে, সেখানেই আটকে দিতে পারে পুলিশ। আর সে ক্ষেত্রে সংঘাত আরও তীব্র হতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়ে যাচ্ছে।
বিজেপি নেতা শঙ্কর ঘোষ বলেন, উনি যখন বৈঠক করতে যাচ্ছেন, তখন উনি যেন এসআইআর শুনানি কেন্দ্রের তাণ্ডবের কথাও বলে আসেন। এদিকে তৃণমূলের দাবি, দিল্লি পুলিশ ভয় পেয়েছে। জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র, সংবিধান আছে,নির্বাচন কমিশন আর সুপ্রিম কোর্টের থেকে তো সরকার আলাদা, তাহলে দিল্লির সরকার ভয় পেল কেন?