ছেলেরাও সুরক্ষিত নয়! ৫ বছরের শিশুকে স্কুলে ধর্ষণ করে খুন স্কুলের ভিতরেই
Crime against Children: প্রাথমিক তদন্তের পর হস্টেলের অপারেটর তরুণ কুমারকে আটক করে এবং তাঁকে জেলেও পাঠানো হয়। তবে তদন্ত যত এগোয়, ততই গল্পের মোড় ঘুরে যায়। সন্দেহ বাড়ে হস্টেলের ক্যান্টিনের গার্ড মুকেশ কুমারের উপরে।

পটনা: গলা কাটা অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল পাঁচ বছরের শিশু। দিনকয়েক পরেই পুলিশি তদন্তে ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে এল। জানা গেল, ওই শিশুকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ক্যান্টিনের গার্ডকে।
ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের জেহানাবাদ জেলায়। দিন কয়েক আগেই, গত ৬ এপ্রিল একটি প্রাইভেট স্কুলের হস্টেল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাঁচ বছরের শিশু পুত্রকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর গলার নলি কেটে দিয়েছিল কেউ। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পুলিশ স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম তৈরি করে। প্রাথমিক তদন্তের পর হস্টেলের অপারেটর তরুণ কুমারকে আটক করে এবং তাঁকে জেলেও পাঠানো হয়। তবে তদন্ত যত এগোয়, ততই গল্পের মোড় ঘুরে যায়। সন্দেহ বাড়ে হস্টেলের ক্যান্টিনের গার্ড মুকেশ কুমারের উপরে। তাঁকে হেজাফতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই গড়গড় করে সব সত্যি বলে দেন।
শিশুর ময়নাতদন্তে জানা যায়, হত্যার আগে ওই শিশুকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল। হস্টেলের সিসিটিভি ফুটেজেও তাঁর সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা যায়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, অভিযুক্ত একা থাকতেন। তাঁর স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে গিয়েছে। এই নিয়ে মানসিক অশান্তিতে ছিলেন। এর মধ্যে হস্টেলের অপারেটরের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় এবং দুজনের মধ্যে সম্পর্ক তিক্ত হয়ে যায়। তাঁকে ফাঁসাতে এবং হস্টেল বন্ধ করে দিতেই ওই শিশুকে হত্যা করে।
