Air India: হাইজ্যাক অ্যালার্ট! কেবল তিনিই আঁচ করতে পেরেছিলেন, এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ঘুরিয়ে জয়পুরে জরুরি অবতরণ পাইলটের!
Air India: প্রথমে যাত্রীদের থেকে বিষয়টি আড়ালের চেষ্টা করা হয়েছিল। বিমানের যাত্রাপথ পরিবর্তনের পরই বিষয়টি সামনে আসে। বিমানের যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিমানটি জয়পুর বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণের পর নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সতর্ক হয়ে ওঠে।

নয়া দিল্লি: জয়পুরে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের জরুরি অবতরণ। হাইজ্যাক অ্যালার্টের পরই ফ্রাঙ্কফুট থেকে দিল্লিগামী বিমানের জরুরি অবতরণ করা হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট AI-2030 বিমানে বোমা থাকার আশঙ্কা করেন পাইলট। এরপরই ফ্লাইটটিকে জয়পুরের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।
প্রথমে যাত্রীদের থেকে বিষয়টি আড়ালের চেষ্টা করা হয়েছিল। বিমানের যাত্রাপথ পরিবর্তনের পরই বিষয়টি সামনে আসে। বিমানের যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিমানটি জয়পুর বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণের পর নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সতর্ক হয়ে ওঠে। বিমানটিকে আইসোলেশন বে-তে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে নিরাপত্তা কর্মীরা পৌঁছেছেন। তদন্ত শুরু হয়েছে। নিরাপত্তা প্রোটোকল মেনে বিমানটিতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
জয়পুর বিমানবন্দরে অবতরণের পর বিমানটিকে একটি আলাদা স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, অফিসিয়ালি এই জায়গাকে বলা হয় ‘আইসোলেশন বে’। সেখানে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তদন্ত শুরু করে। সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (CISF), স্থানীয় পুলিশ এবং বম্ব স্কোয়াড বিমানটিতে তল্লাশি চালায়। যাত্রীদের লাগেজও পরীক্ষা করা হয়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সমস্ত যাত্রী ও ক্রু সদস্যকে নিরাপদে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বিমানটি যখন ভারতীয় আকাশসীমার কাছাকাছি পৌঁছয়, ঠিক সেই সময়েই নিরাপত্তার এই সতর্কতা জারি করা হয়। এরপর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (ATC) এবং নিরাপত্তা সংস্থাকে বিষয়টি জানানো হয়। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বিমানটিকে দিল্লির পরিবর্তে জয়পুরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঘটনাটি বোমার হুমকির নয়, বরং হাইজ্যাকেরই গুজব ছিল। তবে তিনি এও বলেছেন যে, তদন্ত এখনও চলছে। ফলে এই মুহূর্তে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছননি তদন্তকারীরা।
