AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Ajit Pawar Death: দলা পাকানো দেহ, সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়েছিল…ধ্বংসস্তূপের মধ্যে অজিত পওয়ারকে চিনিয়ে দিল এই একটা জিনিসই

Ajit Pawar Death in Plane Crash: লিয়ারজেট ৪৫ (Learjet 45) নামক প্রাইভেট চার্টার্ড বিমানে করে মুম্বই থেকে পুণের বারামতীতে যাচ্ছিলেন অজিত পওয়ার। নিজের গড়ে একাধিক জনসভা ছিল তাঁর, কিন্তু এবারের জনসভায় আর যোগ দেওয়া হল না। অবতরণের সময় আছড়ে পড়ে বিমান। আগুন ধরে যায় বিস্ফোরণে। 

Ajit Pawar Death: দলা পাকানো দেহ, সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়েছিল...ধ্বংসস্তূপের মধ্যে অজিত পওয়ারকে চিনিয়ে দিল এই একটা জিনিসই
বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু অজিত পওয়ারের।Image Credit: PTI
| Updated on: Jan 29, 2026 | 6:38 AM
Share

মুম্বই: একটা বিমান দুর্ঘটনা তছনছ করে দিল সব। বিকেলে জনসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল, স্টেজ বাঁধা হয়ে গিয়েছিল। সকালে খবর এল বারামতীতেই অবতরণের সময় দুর্ঘটনার মুখে পড়েছে বিমান। বিস্ফোরণে জ্বলে গিয়েছে আস্ত বিমান। কারোর বাঁচার সম্ভাবনা নেই। পাইলট, ক্রু সহ বাকি চারজনের সঙ্গে সম্পূর্ণ পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের (Ajit Pawar) দেহও। কীভাবে তাঁকে চিহ্নিত করা হল ওই ধ্বংসস্তূপ থেকে?

লিয়ারজেট ৪৫ (Learjet 45) নামক প্রাইভেট চার্টার্ড বিমানে করে মুম্বই থেকে পুণের বারামতীতে যাচ্ছিলেন অজিত পওয়ার। নিজের গড়ে একাধিক জনসভা ছিল তাঁর, কিন্তু এবারের জনসভায় আর যোগ দেওয়া হল না। অবতরণের সময় আছড়ে পড়ে বিমান। আগুন ধরে যায় বিস্ফোরণে।

প্রত্য়ক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পরপর চার-পাঁচটি বিস্ফোরণ হয়েছিল। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তারা চেষ্টা করেও সাহায্য করতে পারেননি। দমকল এসে আগুন নেভালেও, ততক্ষণে সকল বিমানযাত্রীরই মৃত্যু হয়েছে। আধপোড়া যে দেহগুলি উদ্ধার করা হয়, তাও চেনা দায় হয়ে উঠেছিল। ডিএনএ পরীক্ষাই একমাত্র উপায় ছিল। সেই অনুযায়ী মৃতদের পরিবারকে ডিএনএ স্য়াম্পেল দিতেও বলা হয়েছিল।

তবে ডিএনএ পরীক্ষার আগেই পাওয়া গেল অজিত পওয়ারকে। পাঁচটি দেহের মধ্যে থেকে অজিত পওয়ারকে চেনা যায় তাঁর হাতঘড়ির মাধ্যমে। নিয়মিত এই ঘড়ি পরতেন তিনি। সেই ঘড়িই চিনিয়ে দিল অজিত পওয়ারকে।

ইতিমধ্যেই বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ডিজিসিএ। কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, দৃশ্যমানতা কম থাকার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিমানের ব্ল্যাকবক্সের খোঁজ করা হচ্ছে। এই বক্স পাওয়া গেলে দুর্ঘটনার কারণ আরও স্পষ্ট হবে। ককপিটের ভিতরে দুর্ঘটনার আগের মুহূর্তে কী হয়েছিল, তাও সামনে আসবে।