AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

New Rail Line: অবশেষে শোনা যাবে ঝমঝম শব্দ, সিউড়ি-আরামবাগ সহ ১৭৮ কিমি জুড়ে পাতা হবে স্বপ্নের রেলপথ

Railway Projects: আদ্রা ডিভিশনের অন্তর্গত মাথনাশিপুর হল্টকে ব্লক স্টেশনে রূপান্তরিত করা হবে এবং তারকেশ্বর–আরামবাগ শাখায় অবস্থিত জঙ্গলপাড়ার সঙ্গে মাথনাশিপুরের সংযোগকারী একটি নতুন রেললাইন নির্মাণ করা হবে। বর্তমানে এই অঞ্চলের মানুষ নিকটবর্তী রেল স্টেশনে পৌঁছনোর জন্য সড়ক পরিবহনের উপর নির্ভরশীল।

New Rail Line: অবশেষে শোনা যাবে ঝমঝম শব্দ, সিউড়ি-আরামবাগ সহ ১৭৮ কিমি জুড়ে পাতা হবে স্বপ্নের রেলপথ
Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 28, 2026 | 11:49 PM
Share

কলকাতা: সদ্য পশ্চিমবঙ্গ থেকে চালু হয়েছে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। শিয়ালদহ থেকে অমৃত ভারত ট্রেনও চালু হয়েছে সদ্য। একগুচ্ছ রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবার ভোটের আগে বাংলায় একাধিক নতুন রেললাইনের সূচনা হচ্ছে। লোকেশন সার্ভে করার চূড়ান্ত অনুমোদন দিল রেল মন্ত্রক।

পশ্চিমবঙ্গে মোট ১৭৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের তিনটি নতুন রেললাইন প্রকল্পের সার্ভে শুরু হতে চলেছে। তৈরি হচ্ছে নতুন তিনটি রেল প্রকল্প। রেললাইনগুলি হল-

১) সিউড়ি–নালা (ভায়া রাজনগর ও বক্রেশ্বর ধাম)– ৭৩ কিমি ২) আরামবাগ–খানাকুল – ২৭ কিমি ৩) রসুলপুর–জঙ্গলপাড়া – ৭৮ কিমি।

রেলের তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের ওই এলাকাগুলিতে বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের রেললাইনের দাবি ছিল। সেই দাবি মেনে, সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই রেল মন্ত্রণক এই তিনটি নতুন রেল প্রকল্প নিয়ে এগোচ্ছে।

সিউড়ি থেকে নালা (ভায়া রাজনগর ও বক্রেশ্বর ধাম) – ৭৩ কিমি

প্রস্তাবিত এই রেল লাইনটি পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার সিউড়ি ও ঝাড়খণ্ডের জামতারা জেলার নালার মধ্যে সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপন করবে। এই রুটে রাজনগরের মতো ব্লক এবং তীর্থক্ষেত্র তথা পর্যটন কেন্দ্র বক্রেশ্বর ধাম অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

বর্তমানে মূলত সড়ক পরিবহনের উপর নির্ভরশীল এই সিউড়ি-রাজনগর-বক্রেশ্বর-নালা অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই রেললাইন চালু হলে এই অঞ্চলে সাধারণ মানুষের তথা ব্যবসায়ীদের বিশেষ সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরামবাগ-খানাকুল (২৭ কিমি)

পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার রাধানগরে অবস্থিত খানাকুল গ্রামটি বিশিষ্ট সমাজসংস্কারক রাজা রামমোহন রায়ের জন্মস্থান হিসেবে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। বর্তমানে আরামবাগ ও খানাকুলের মধ্যে যোগাযোগ মূলত সড়কপথ নির্ভর। স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে যানজট। তাই আরামবাগ ও খানাকুলের মধ্যে প্রস্তাবিত নতুন রেললাইনটি যাত্রীদের বিশেষ উপকার করবে।

রসুলপুর–জঙ্গলপাড়া (৭৮ কিমি)

ইঞ্জিন রিভার্সাল এড়ানোর জন্য রসুলপুর (মেইন লাইন) থেকে পাল্লা রোড (কর্ড লাইন) পর্যন্ত একটি নতুন বাইপাস রেললাইনের জন্য চূড়ান্ত লোকেশন সার্ভে অনুমোদন করা হয়েছে। মসাগ্রামে সমতল ক্রসিং এড়াতে হাওড়া–বর্ধমান কর্ড লাইনের (ডাউন HBC) সঙ্গে মসাগ্রাম–বাঁকুড়া লাইনের সংযোগের জন্য একটি ডাউন রেল ওভার রেল ব্রিজ (ROR) নির্মাণেরও প্রস্তাব রয়েছে।

আদ্রা ডিভিশনের অন্তর্গত মাথনাশিপুর হল্টকে ব্লক স্টেশনে রূপান্তরিত করা হবে এবং তারকেশ্বর–আরামবাগ শাখায় অবস্থিত জঙ্গলপাড়ার সঙ্গে মাথনাশিপুরের সংযোগকারী একটি নতুন রেললাইন নির্মাণ করা হবে। বর্তমানে এই অঞ্চলের মানুষ নিকটবর্তী রেল স্টেশনে পৌঁছনোর জন্য সড়ক পরিবহনের উপর নির্ভরশীল। মাথনাশিপুর হয়ে সরাসরি রসুলপুর-জঙ্গলপাড়া রেল সংযোগ স্বল্প দূরত্বের যাত্রী ও হালকা মালগাড়ির জন্য একটি বিকল্প পথ প্রদান করবে, ফলে পূর্ব রেল ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলের বিদ্যমান জংশনগুলির উপর চাপ কমবে।

এই তিনটি নতুন রেললাইন প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গের সংশ্লিষ্ট অঞ্চল এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় রেল যোগাযোগ ও পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি সাধন করবে।