N Chandrababu Naidu: ‘স্বল্পমেয়াদি রাজনৈতিক লাভের জন্য…’, কমিশনের পাশে দাঁড়িয়ে বিরোধীদের নিশানা চন্দ্রবাবুর
Chandrababu Naidu Backs Election Commission: এক্স হ্যান্ডলে অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু লেখেন, 'আমাদের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতি সম্মান সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ। দলমত নির্বিশেষে সমস্ত নেতার সম্মিলিত দায়িত্ব হল, ভারতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থা অটুট রাখা।'

নয়াদিল্লি: সর্বসম্মতিক্রমেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসআইআর সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে জানিয়ে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনে কমিশনের পাশে দাঁড়ালেন এনডিএ-র শরিক তথা অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু। যেসব বিরোধী দল কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে, তাদেরও বার্তা দিলেন অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডলে লিখলেন, ‘স্বল্পমেয়াদি রাজনৈতিক লাভের জন্য ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামো বা নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের আস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক।’
কমিশনের পাশে দাঁড়িয়ে এক্স হ্যান্ডলে কী লিখলেন অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী?
এক্স হ্যান্ডলে এন চন্দ্রবাবু নাইডু লেখেন, ‘মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে, নির্বাচন কমিশনার এসএস সান্ধু এবং বিবেক জোশীকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া সর্বসম্মত ব্যাখ্যা আমাদের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির অখণ্ডতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে পুনরায় নিশ্চিত করেছে। এবং বিষয়টি ঘিরে তৈরি হওয়া সমস্ত ভুল ধারণার অবসান ঘটিয়েছে।’
কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হওয়ার জন্য বিরোধীদের নিশানা করে তিনি লেখেন, ‘ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলি সম্মিলিতভাবেই নেওয়া হয় এবং প্রতিষ্ঠিত প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মকানুন কঠোরভাবে মেনেই তা করা হয়। স্বল্পমেয়াদি রাজনৈতিক লাভের জন্য ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামো বা নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের আস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক।’
শেষে তিনি লেখেন, ‘নির্বাচনের ফলাফল জনগণের রায়কে প্রতিফলিত করে। একটি শক্তিশালী গণতন্ত্রে নেতৃত্বের অর্থ হল, জয় ও পরাজয়—দুই-ই সৌজন্য, মর্যাদা ও বিনয়ের সঙ্গে মেনে নেওয়া। আমাদের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতি সম্মান সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ। দলমত নির্বিশেষে সমস্ত নেতার সম্মিলিত দায়িত্ব হল, ভারতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থা অটুট রাখা।’
