AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bangladesh reaction BJP Bengal win: বাংলায় মমতা সরতেই খুশি বাংলাদেশ, কেন?

Teesta water sharing agreement: বিএনপি-র তথ্য সচিব বলেন যে বিজেপির জয় পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক শোধরাতে এবং আরও মজবুত করতে পারে। তাঁর মতে, বাংলায় ক্ষমতা বদল পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে শোধরানোর সম্ভাবনা তৈরি করে দিয়েছে।   

Bangladesh reaction BJP Bengal win: বাংলায় মমতা সরতেই খুশি বাংলাদেশ, কেন?
মমতার হারে কেন খুশি বিএনপি?Image Credit: PTI
| Updated on: May 06, 2026 | 1:30 PM
Share

ঢাকা: বাংলায় পালাবদল। বিধানসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী তৃণমূল কংগ্রেস। ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। এপার বাংলায় পরিবর্তন হতেই ওপার বাংলাতেও খুশির হাওয়া। বাংলাদেশের শাসক দল বিএনপি সরাসরি অভিযোগের আঙুল তুলল মমতা সরকারের দিকে। অভিযোগ, দুই দেশের মধ্যে তিস্তা জল বন্টন চুক্তি (Teesta Water Sharing Treaty) আটকে রেখেছিল মমতা সরকার। এবার তিস্তার জল নিয়ে কী ভাবনাচিন্তা বিএনপি (BNP) তথা বাংলাদেশের (Bangladesh)?

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের জন্য বিজেপিকে অভিনন্দন জানান বিএনপি-র তথ্য সচিব আজ়িজুল বারি হেলাল। সংবাদসংস্থা এএনআই-র মুখোমুখি হয়ে বলেন যে দুই দেশের সম্পর্ক ইতিবাচক দিকে এগোবে বলেই আশা করছেন। নির্বাচনের এই ফলাফল বহুদিন ধরে আটকে থাকা তিস্তা জল বন্টন চুক্তি নিয়েও আলোচনার পথ প্রশস্ত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন যে তিস্তা জল চুক্তির মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার বিজেপি সরকার হয়তো নরেন্দ্র মোদী সরকারের সঙ্গে কাজ করবে। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনার দাবি জানাচ্ছে। এবার তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

বিএনপি-র তথ্য সচিব বলেন যে বিজেপির জয় পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক শোধরাতে এবং আরও মজবুত করতে পারে। তাঁর মতে, বাংলায় ক্ষমতা বদল পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে শোধরানোর সম্ভাবনা তৈরি করে দিয়েছে।

হেলাল বলেন, “আগে আমরা দেখেছি যে তিস্তা ব্যারেজ তৈরিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন আমার মনে হয়, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি জেতার পর তিস্তা বাঁধ চুক্তি, যা বাংলাদেশ সরকার ও মোদী সরকার চায়, তাতে সমর্থন জানাবে। আমি মনে করি বিজেপি সরকার তিস্তা জল চুক্তি বাস্তবায়ন করবে।”

প্রসঙ্গত, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে জল ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ দীর্ঘদিনের। ১৯৯৬ সালের গঙ্গা জল চুক্তিতে শুষ্ক মরশুমে ফরাক্কা বাঁধ থেকে বাংলাদেশে জল ছাড়া হয়। তবে বাংলাদেশের অভিযোগ, এই জল পর্যাপ্ত নয়। এতে চাষাবাদ প্রভাবিত হচ্ছে। চলতি বছরেই এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ তিস্তার জলে ভাগ চাইছে। তবে পশ্চিমবঙ্গের আপত্তির কারণে তা আটকে ছিল। ২০১১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বাংলাদেশ সফরে গিয়ে তিস্তা জল চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এই প্রস্তাবনায় বলা হয়েছিল যে তিস্তার ৩৭.৫ শতাংশ জল পাবে এবং ভারত ৪২.৫ শতাংশ জল পাবে। তবে পশ্চিমবঙ্গের আপত্তিতেই এই চুক্তি হয়নি।

Follow Us