AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bangladesh Visa: ভারতীয়দের জন্য ভিসা চালু বাংলাদেশের! দুই দেশের সম্পর্কের বরফ কি গলছে?

Bangladesh Visa to Indians: কনসুলার অনিরুদ্ধ দাস জানিয়েছেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা পরিষেবা চালু করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, "মেডিক্যাল ভিসা ও ডবল এন্ট্রি ভিসা চালু করা হয়েছে। এছাড়া ভ্রমণ ভিসা-সহ বাকি ভিসাগুলিও খুব শীঘ্রই চালু করা হবে।"

Bangladesh Visa: ভারতীয়দের জন্য ভিসা চালু বাংলাদেশের! দুই দেশের সম্পর্কের বরফ কি গলছে?
ভারত-বাংলাদেশ আবার বন্ধু হবে?Image Credit: TV9 বাংলা
| Updated on: Feb 21, 2026 | 8:32 PM
Share

ঢাকা: ভারতীয়দের জন্য ফের ভিসা চালু করতে চলেছে বাংলাদেশ। নিরাপত্তার কারণে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর থেকে দুই দেশের মধ্যে ভিসা পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। তবে, তারেক রহমান (Tarique Rahman) ক্ষমতায় আসতেই বাংলাদেশের সঙ্গে ভিসা পরিষেবা স্বাভাবিক করার বিষয়ে তৎপর ভারতও। সিলেটে ভারতীয় কনসুলার অনিরুদ্ধ দাস সম্প্রতি জানিয়েছেন,বাংলাদেশের জন্য ভিসা পরিষেবা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করা হচ্ছে। এবার বাংলাদেশের সরকারও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মসৃণের পথে একধাপ এগোল।

বাংলাদেশের কূটনৈতিক সূত্র প্রথম আলোকে জানিয়েছে, নয়া দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন থেকে ফের ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশের ভিসা পাবেন। অন্যদিকে, আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশের সহকারি হাইকমিশন থেকেও ভিসা পাবেন ভারতীয় নাগরিকরা। এছাড়া, দূতাবাস সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধাও দেওয়া হবে ভারতীয় নাগরিকদের, এমনটাই জানা গিয়েছে। যদিও, এখনও সরকারি ভাবে ঘোষণা করা হয়নি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে।

এদিকে, কনসুলার অনিরুদ্ধ দাস জানিয়েছেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা পরিষেবা চালু করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, “মেডিক্যাল ভিসা ও ডবল এন্ট্রি ভিসা চালু করা হয়েছে। এছাড়া ভ্রমণ ভিসা-সহ বাকি ভিসাগুলিও খুব শীঘ্রই চালু করা হবে।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্মানের উপর প্রতিষ্ঠিত। দুই দেশই দায়বদ্ধ।” সূত্রের খবর, মার্চ মাস থেকেই ভ্রমণ, ব্যবসা ও ছাত্র ভিসা চালু হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, জুলাই গণ-অভ্যুথ্থান ও শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর থেকেই ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে। ইউনূসের আমলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর নির্যাতনের অভিযোগও বারবার সামনে এসেছে। কূটনৈতিক সম্পর্কে পাশাপাশি বাণিজ্যিক সম্পর্কেও প্রভাব পড়তে শুরু করেছিল। বাণিজ্যক্ষেত্রে চিন ও পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছিল বাংলাদেশ। ভারত নির্ভরতা কমাতেও শুরু করেছিল বাংলাদেশ। ভোটের আগেই একের পর এক হিন্দু সংখ্যালঘু খুনের ঘটনা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরও তলানিতে নিয়ে যায়।

তবে বাংলাদেশে এখন ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার আর নেই। ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন তারেক রহমান। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু, তাঁর বদলে ভারতের প্রতিনিধি হয়ে বাংলাদেশে গিয়েছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তারেকের হাতে তুলে দেন তিনি। তারেক রহমানকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মহল বলছে, পদ্মাপাড়ে নতুন সরকার গঠনের পর থেকে ধীরে ধীরে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের বরফ ধীরে ধীরে গলছে।