Nishikant Dubey on Partition: শুধু অধিকৃত কাশ্মীর কেন? সিলেট-চট্টগ্রাম নিয়েও বড় দাবি নিশিকান্ত দুবের
Nishikant Dubey: সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিশিকান্ত দুবে বলেন, "মহারাজা বারবার প্রশ্ন তুলেছিলেন, দর কষাকষি করেছিলেন।" ওই অঞ্চলগুলো পাকিস্তানকে দেওয়া হবে নাকি ভারতের অংশ থাকবে, সেই বিষয়ে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে চেয়েছিলেন মহারাজ।

নয়া দিল্লি: মহারাজার কথা অমান্য করে সিলেট-চট্টগ্রাম পাকিস্তান ছেড়ে দিয়েছিলেন নেহরু, তাই সেই সব এলাকা পুনরুদ্ধার করা উচিৎ। সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই বললেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। তাঁর দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK) পাশাপাশি নোয়াখালি, সিলেট এবং চট্টগ্রাম বন্দরও পুনরুদ্ধার করা উচিৎ। জওহরলাল নেহেরু দেশভাগের সময় জোর করে এগুলি হস্তান্তর করেছিলেন বলে অভিযোগ।
বিজেপি সাংসদের যুক্তি, এই তিনটি অঞ্চল আসলে তৎকালীন ত্রিপুরার রাজা মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মাণিক্যের অধীন ত্রিপুরার অংশ ছিল। সেই মহারাজার আপত্তি উপেক্ষা করেই নেহরু সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে।
সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিশিকান্ত দুবে বলেন, “মহারাজা বারবার প্রশ্ন তুলেছিলেন, দর কষাকষি করেছিলেন।” ওই অঞ্চলগুলো পাকিস্তানকে দেওয়া হবে নাকি ভারতের অংশ থাকবে, সেই বিষয়ে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে চেয়েছিলেন মহারাজ।
১৯৪৬ সালের নোয়াখালি হিংসার প্রসঙ্গও টেনেছেন বিজেপি সাংসদ। তিনি অভিযোগ করেন, গণহত্যার সময় একদিনেই প্রায় ১০,০০০ হিন্দু নিহত হওয়া সত্ত্বেও সেখানে পরিদর্শন করতে যাননি নেহরু। তিনি বলেন, “নেহরু প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য মরিয়া ছিলেন। ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হয়, কিন্তু তিনি ১৯৪৭ সালের ১৫ অগস্ট প্রধানমন্ত্রী হননি। তিনি ১৯৪৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।”
দেশভাগের সময় চট্টগ্রাম বন্দর হারানোর ফলে উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়ন কঠিন হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। সাংসদের যুক্তি, চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের সুযোগ হারানোর ফলেই অঞ্চলটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তিনি বলেন, “বন্দর না থাকার কারণেই এর খনি, খনিজ ও গ্যাস পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারি না। অঞ্চলটি এখনও বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে।” তাই দেশভাগের সময় যে ঐতিহাসিক ভুলগুলো করা হয়েছিল, তা সংশোধন করতে চট্টগ্রাম বন্দর, নোয়াখালি ও সিলেট পুনরুদ্ধার করা উচিৎ বলে মনে করেন তিনি।
