BSF-BGB: ‘…বর্ডার যেন শান্তিপূর্ণ থাকে’, দিল্লিতে BSF-BGB-র বৈঠক, দুই তরফে কী কথা হল জানেন?
BSF-BGB: সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণের যে কথা বলা হচ্ছে তা ঠিক নয়। অনেক ক্ষেত্রে তা অতিরঞ্জিত। দুর্গাপুজো হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবে। বিজিবি ৮ কিলোমিটার এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে। এই এলাকায় অনেক দুর্গা মণ্ডপ ছিল। কোনও ঘটনা ঘটেনি।

নয়া দিল্লি: কখনও অনুপ্রবেশ, কখনও বা কাঁটাতারের বেড়া!ইত্যাদি একাধিক ইস্যুতে বিজিবির ‘ঝগড়া’ প্রকাশ্যে এসেছে। এই আবহের মধ্যেই দিল্লিতে বৈঠক হয়ে গেল বিএসএফ-বিজিবির। সেখান থেকেই এবার অনুপ্রবেশ নিয়ে বার্তা দেওয়া হল বিজিবি-কে। এ দিন বৈঠকে বসেন বিএসএফ ডিজি দলজিৎ সিং চৌধুরি ও বিজিবি-র ডিজি মেজর জেনারেল মহম্মদ আসরাফুজামান সিদ্দিকি।
কী আলোচনা হয়েছে বৈঠকে?
BSF: ৫ই আগস্টের পর থেকে অনুপ্রবেশের সবরকম চেষ্টা বন্ধ করা হয়েছে। বিজেবি-র সাহায্য নিয়ে আমরা এই কাজ করেছি। অনুপ্রবেশের চেষ্টা সংখ্যা যথেষ্ট কম।
BGB: সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণের যে কথা বলা হচ্ছে তা ঠিক নয়। অনেক ক্ষেত্রে তা অতিরঞ্জিত। দুর্গাপুজো হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবে। বিজিবি ৮ কিলোমিটার এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে। এই এলাকায় অনেক দুর্গা মণ্ডপ ছিল। কোনও ঘটনা ঘটেনি। রাজনৈতিক সমস্যা হতে পারে। কিন্তু সংখ্যালঘুদের উপর হামলা হয়নি।
বর্ডার ফেন্সিং নিয়ে কথা হয়েছে। যৌথ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
BGB: ১৫০ গজে পার্মানেন্ট কন্সট্রাকশন করা হচ্ছে। এটা ঠিক নয়। যদি অপরপক্ষকে না জানিয়ে করা হয় তখন আপত্তি তোলা হয়। এটাই নিয়ম। বিজিবি-র তরফে কখনো বিএসএফ বা ভারতীয়দের আক্রমণ করা হয়নি।
BSF: আক্রমণের বিষয় আমরা তুলেছি। প্রাণনাশ হয় এমন কোনও আক্রমণ ভারত করেন না। এটাই বাংলাদেশের জন্য ভারতের নীতি। আমরা কখনোই প্রয়োজন ছাড়া বন্দুকের ব্যবহার করি না। যখন আর কোনও কিছু করার থাকে না তখন আত্মরক্ষার জন্য আগ্নয়াস্ত্র ব্যবহার করতে হয়। আমরা বিজিবিকে আবেদন করেছি, অনুপ্রবেশের ঘটনা যেন না ঘটে এবং বর্ডার যেন শান্তিপূর্ণ থাকে।





