School Teacher: ‘বাবা আসছি’ বলে বাড়ি থেকে বেরল সুস্থ ছেলে! খবরটা আসার পর স্কুলের CCTV ফুটেজে যা দেখা গেল…
Student CCTV Footage: আগের দিন রাতে খেলাধুলা করেই ঘুমিয়েছিল প্রণয়। ভাইরাল ফিভার বা অন্য কোনও অসুস্থতাও ছিল না। তারপরও এমন কী করা হল যে ছেলের মৃত্যু হল? প্রশ্ন তুলছে পরিবার। ঘটনার পরই সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। সেখানেই বিষয়টি সামনে আসে।

বিশাখাপত্তনম: আর পাঁচটা দিনের মতোই ঘুম থেকে উঠে নিজেই স্কুলে যাওয়ার কথা বলেছিল বছর ছয়েকের শিশু। সন্তানের আগ্রহ দেখে বাধা দেননি বাবা-মাও। সামনে পরীক্ষা, তাই স্কুলে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন তাঁরাও। হাসি মুখেই স্কুলের জন্য বেরোয় ওই ছাত্র। তারপর দুপুরের দিকে বাড়িতে আসে ফোন। ততক্ষণে সব শেষ! বেসরকারি স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শিউরে উঠছেন অভিভাবকরা।
অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমের একটি বেসরকারি স্কুলের ঘটনা। অভিযোগ, শিক্ষিকার হাতে মার খাওয়ার পরই অজ্ঞান হয়ে যায় শিশু। শিক্ষিকার কোলেই ঢলে পড়ে সে। তারপর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্রের খবর, চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আধ ঘণ্টা আগেই মৃত্যু হয়েছিল তার। এই অভিযোগ ঘিরে রীতিমতো তোলপাড় অন্ধ্র প্রদেশের স্কুলশিক্ষা দফতর। হোমওয়ার্ক করে না নিয়ে যাওয়ার কারণেই তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
মৃত ছাত্রের নাম প্রণয় তেজা। তার বাবা জানিয়েছেন, ছেলের আগে থেকে কোনও অসুস্থতা ছিল না। তিনি জানান, আগের দিন রাতে খেলাধুলা করেই ঘুমিয়েছিল প্রণয়। ভাইরাল ফিভার বা অন্য কোনও অসুস্থতাও ছিল না। তারপরও এমন কী করা হল যে ছেলের মৃত্যু হল? প্রশ্ন তুলছে পরিবার। ঘটনার পরই সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। সেখানেই মারধরের বিষয়টি সামনে আসে। দেখা যায়, একটি লাঠি নিয়ে শিশুকে মারছেন অভিযুক্ত শিক্ষিকা। অভিভাবকদের দাবি, এভাবে প্রণয়কেই নয়, আর অনেক ছাত্রছাত্রীকে মারধর করেন ওই শিক্ষিকা।
ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে অন্ধ্র পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। অন্ধ্র প্রদেশের স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফ থেকেও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। দফতরের তরফেও তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
