AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

কংগ্রেস কর্মী গ্রেফতার, পুলিশের বিরুদ্ধেই পাল্টা দায়ের এফআইআর!

Congress Worker Arrest: নয়া দিল্লিতে এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে জামা খুলে প্রতিবাদ দেখিয়েছিল যুব কংগ্রেসের কর্মীরা। ওই বিক্ষোভকারীদের মধ্যে তিনজনকে সিমলা থেকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। এদিকে, হিমাচল প্রদেশ পুলিশও ওই তিনজনকে সমন পাঠায় আদালতে হাজিরার জন্য।

কংগ্রেস কর্মী গ্রেফতার, পুলিশের বিরুদ্ধেই পাল্টা দায়ের এফআইআর!
দুই পুলিশের ঝগড়া।Image Credit: X
| Updated on: Feb 26, 2026 | 9:05 AM
Share

নয়া দিল্লি: একজনকে গ্রেফতার করতে গিয়ে ঝগড়া লেগে গেল দুই রাজ্যের পুলিশের মধ্য়েই। পুলিশ মামলা করল পুলিশের বিরুদ্ধেই। নজিরবিহীন এই দৃশ্য়ের সাক্ষী থাকল হিমাচল প্রদেশের হাইওয়ে দিয়ে যাতায়াত করা বহু মানুষ। দুই রাজ্যের পুলিশই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে যে অপর পক্ষ বেআইনি কাজ করেছে।

গোটা ঘটনার সূত্রপাত হয় গত সপ্তাহে। নয়া দিল্লিতে এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে জামা খুলে প্রতিবাদ দেখিয়েছিল যুব কংগ্রেসের কর্মীরা। ওই বিক্ষোভকারীদের মধ্যে তিনজনকে সিমলা থেকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। এদিকে, হিমাচল প্রদেশ পুলিশও ওই তিনজনকে সমন পাঠায় আদালতে হাজিরার জন্য। দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে বিনা অনুমতি বা নোটিসেই বেআইনিভাবে ওই তিন কংগ্রেস কর্মীকে আটক করার অভিযোগ ওঠে।

দিল্লি পুলিশ যখন তিন অভিযুক্তকে নিয়ে যখন সিমলা-সোলানের মাঝে শোগি সীমানা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় পথ আটকায় হিমাচল প্রদেশ পুলিশ। দুই রাজ্যের পুলিশের মধ্যে বচসা বেঁধে যায় অভিযুক্তকে কারা নিয়ে যাবে, তা নিয়ে। হিমাচল প্রদেশের পুলিশ জানায়, স্থানীয় আদালত থেকে ট্রানজিট রিমান্ড ছাড়া অভিযুক্তদের রাজ্যের বাইরে নিয়ে যাওয়া যাবে না।

বচসা, কথা কাটাকাটি বাড়লে, সিমলা পুলিশ সরাসরি দিল্লি পুলিশের অফিসারদের বিরুদ্ধেই কেস দাখিল করেন। অভিযোগ করা হয়, তিন ব্যক্তিকে জোর করে রিসর্ট থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সিমলা পুলিশের সুপারিন্টেন্ডেন্ট গৌরব সিং জানান, তাদের কাছে শনিবার সকালে খবর আসে যে সাধারণ পোশাক পরা ১৫-২০ জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি মান্ডির একটি রিসর্টে এসেছে এবং রিসর্টে থাকা তিন অতিথিকে তুলে নিয়ে গিয়েছে। তাদের সঙ্গে থাকা থার গাড়িটিও নিয়ে গিয়েছে।

হিমাচল পুলিশের আরও অভিযোগ, দিল্লি পুলিশের আধিকারিকরা রিসর্টের সিসিটিভি সিস্টেম থেকে ডিজিটাল ভিডিয়ো রেকর্ডার বের করে নিয়েছে, এর সাপেক্ষে কোনও ডকুমেন্ট বা রিসিটও দেয়নি। এফআইআরে অজ্ঞাত পরিচয় ব্য়ক্তি উল্লেখ করা হলেও, ওই অভিযোগ দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধেই করা হয়েছে।

হাইওয়েতে যে বচসা হয় দুই রাজ্য়ের পুলিশের, তার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল এসিপি রাহুল বিক্রম হিমাচল প্রদেশের পুলিশ অফিসারদের বলছেন, “আমরা তিনজনকে গ্রেফতার করেছি। সরকারি কর্মীদের কাজ করতে বাধা দিচ্ছেন আপনারা।”

পাল্টা হিমাচল প্রদেশের পুলিশ অফিসার বলেন, “আমরা আপনাদের বিরুদ্ধে কেস করেছি। আপনারা তিনজনকে কিডন্যাপ করেছেন। তদন্তে সহযোগিতা করুন।”

দিল্লি পুলিশের সূত্রে খবর, হিমাচল প্রদেশ পুলিশ দিল্লি পুলিশের ২০ জন আধিকারিককে আটক করেছে। শেষে আদালতে পৌঁছয় বিষয়টা।