‘এতদিন কেন জানতে না?’, প্রাক্তন সাংসদের স্ট্রোকের খবর পেয়েই ছেলেকে স্নেহের ধমক মোদীর
Bharturhari Mahtab: প্রাক্তন সাংসদ ভর্তুরহারি মেহতাব বলেন, "২ বছর আগে আমার স্ট্রোক হয়েছিল। পরপর তিনদিন চেক আপের পরও কিছু ধরা পড়েনি। হাসপাতালে যাওয়ার এক ঘণ্টার মধ্য়ে স্টেন্ট বসে আমার। এদিকে, খবর পৌঁছে যায় প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাছেও। প্রথম ফোন আসে প্রধানমন্ত্রীজির।"

নয়া দিল্লি: শুধু দেশের প্রধানমন্ত্রী নন, নেতা-মন্ত্রীদের কাছে তিনি অভিভাবকও। শুধু নিজের দলই নন, বিরোধী দলের নেতাদের প্রতিও তিনি সমান যত্নশীল। অভিভাবকের মতোই তিনি সকলকে শাসন করেন, তাদের খোঁজ-খবর নেন। তারই প্রমাণ মিলল আরও একবার। এক প্রাক্তন সাংসদ জানালেন, তাঁর অসুস্থতার খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রী খোঁজ নিয়েছিলেন। ছেলেকে ধমকও লাগিয়েছিলেন বাড়ির অভিভাবকের মতো।
বিজু জনতা দলের প্রাক্তন নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ ভর্তুরহারি মেহতাব সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জানান যে শারীরিক অসুস্থতার সময়ে কীভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী খোঁজ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “২ বছর আগে আমার স্ট্রোক হয়েছিল। পরপর তিনদিন চেক আপের পরও কিছু ধরা পড়েনি। হাসপাতালে যাওয়ার এক ঘণ্টার মধ্য়ে স্টেন্ট বসে আমার। এদিকে, খবর পৌঁছে যায় প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাছেও। প্রথম ফোন আসে প্রধানমন্ত্রীজির। তিনি আমার ছেলেকে ফোন করেন। বাড়ির বড়রা যেভাবে বকাঝকা করেন, ঠিক সেভাবেই তিনি আমার ছেলেকে ধমক লাগিয়ে বলেন যে বাবার শরীর খারাপের কথা কেন জানতে না তুমি? এতে ওঁর স্নেহ প্রকাশ পায়।”
তিনি আরও বলেন, “আমার ছেলেকে প্রধানমন্ত্রী কী বলেছিলেন জিজ্ঞাসা করলেই ও বলে, আমার ঠাকুর্দাও হয়তো এভাবে বকা দেয়নি, যেভাবে প্রধানমন্ত্রী বকা দিয়েছিলেন। এটা শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশে নয়, যেন আমরা ওঁর পরিবারেরই সদস্য, এমনভাবে বলেন। ওঁর এই স্নেহ গোটা দেশের জন্য দেখা যায়।”
চলতি বছরের মার্চ মাসেই বিজেডি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন প্রাক্তন সাংসদ ভর্তুরহারি মেহতাব।
