AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

High Court on Marriage: শুধু রেজিস্ট্রি করলেই হবে না, হিন্দু বিয়েতে সিঁদুরদান-সাতপাক করতেই হবে, স্পষ্ট বুঝিয়ে দিল হাইকোর্ট

আমেদাবাদে ওই ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে ওই মহিলা দাবি করেন যে তাঁরা আইনিভাবে বিবাহিত। এদিকে আবেদনকারী ব্যক্তি জানান, কোনও আচার-অনুষ্ঠান তো দূরের কথা, তাঁরা কখনও স্বামী-স্ত্রী হিসেবে থাকেননি। এমনকী তাঁর সইটাও জাল করা হয়েছিল বলে দাবি করেন ওই ব্যক্তি।

High Court on Marriage: শুধু রেজিস্ট্রি করলেই হবে না, হিন্দু বিয়েতে সিঁদুরদান-সাতপাক করতেই হবে, স্পষ্ট বুঝিয়ে দিল হাইকোর্ট
| Updated on: Sep 02, 2026 | 2:06 PM
Share

গুজরাট: বর্তমানে বিয়ের রেজিস্ট্রিকেই সবথেকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়। বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী হিসেবে মান্যতা পেতে রেজিস্ট্রির সার্টিফিকেটকেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু সম্প্রতি গুজরাট হাইকোর্টের একটি রায় বুঝিয়ে দিয়েছে হিন্দু বিয়েতে আচার অনুষ্ঠান কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আইনেও এর উল্লেখ রয়েছে বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে।

শুধুমাত্র ম্যারেজ সার্টিফিকেট থাকলেই বিয়েকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়া যায় না বলে উল্লেখ করে একটি বিয়েকে বাতিল করেছে আদালত। আবেদনকারী স্বামীর অভিযোগ ছিল, তাঁদের মধ্যে হিন্দুমতে কোনও বিয়ে হয়নি। তাঁরা কোনওদিন একসঙ্গে থাকেননি। স্ত্রী স্বীকার করেছিলেন যে সত্যিই তাঁদের হিন্দু শাস্ত্রীয় রীতি মেনে বিয়ে হয়নি, তাঁরা একত্রে বসবাসও করেননি। কিন্তু তাঁর কাছে একটি ম্যারেজ সার্টিফিকেট ছিল।

কী সেই মামলা

ইউকে-র এক প্রবাসী ভারতীয় ব্যক্তি আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁর অভিযোগ ছিল, তিনি যে সংস্থায় কাজ করতেন, সেই সংস্থার বসের মেয়ে দাবি করছেন যে তিনি নাকি এই ব্যক্তিকে বিয়ে করেছেন।

আমেদাবাদে ওই ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে ওই মহিলা দাবি করেন যে তাঁরা আইনিভাবে বিবাহিত। এদিকে আবেদনকারী ব্যক্তি জানান, কোনও আচার-অনুষ্ঠান তো দূরের কথা, তাঁরা কখনও স্বামী-স্ত্রী হিসেবে থাকেননি। এমনকী তাঁর সইটাও জাল করা হয়েছিল বলে দাবি করেন ওই ব্যক্তি।

আমেদাবাদের পারিবারিক আদালতে মামলাটি ওঠে। শুনানি চলাকালীন ওই মহিলা লিখিতভাবে স্বীকার করেন যে কোনও ধর্মীয় রীতি মেনে বিয়ে হয়নি। তা সত্ত্বেও পারিবারিক আদালত ওই ব্যক্তির আবেদন খারিজ করে দেয় এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্তের কথা বলে। ফ্যামিলি কোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে গুজরাট হাইকোর্টে আবেদন করেন ওই ব্যক্তি।

কী যুক্তি হাইকোর্টের

হাইকোর্টের বিচারপতি ইলেশ জে. ভোরা এবং বিচারপতি আর.টি. বাছানির বেঞ্চ আবেদনকারী ব্যক্তির পক্ষে রায় দেয়। অর্থাৎ ওই বিয়ের দাবি নস্যাৎ করে দেয়।

গুজরাট হাইকোর্ট উল্লেখ করেছে, হিন্দু বিয়ে কোনও লেনদেন নয়। আদালতে মহিলা যখন নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন যে কোনও বিয়ের অনুষ্ঠানই হয়নি, তাই ম্যারেজ সার্টিফিকেটের উপর ভিত্তি করে বিয়েকে মান্যতা দেওয়া যায় না। তাই হাইকোর্ট এই বিয়েকে বাতিল বলে ঘোষণা করেছে।

কী আছে হিন্দু বিবাহ আইনে

আইনের ৭ নম্বর ধারায় রীতি মেনে অনুষ্ঠান পালন করাই হিন্দু বিয়ের প্রধান ভিত্তি। ৮ নম্বর ধারায় বলা আছে, রেজিস্ট্রেশন কেবলমাত্র একটি অনুষ্ঠিত বিয়ের লিখিত প্রমাণ। তাই অনুষ্ঠান ছাড়া শুধুমাত্র কাগজে কলমে বিয়ের কোনও অস্তিত্বই নেই হিন্দু বিবাহ আইনে।

Follow Us