Supreme Court: ‘কত সময় লাগবে?’, তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে এবার কমিশনকে কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
TMC's Name-Logo Freeze: শুনানি পর্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে আইনজীবী কপিল সিব্বলের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিতে চাননি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। তাদের বক্তব্য, নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। দুই পক্ষই তাদের মনোনয়ন জমা দিয়েছে। পৃথক প্রতীক পেয়েছে।

নয়া দিল্লি: সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ মামলা। জরুরি শুনানির আবেদন মেনে নাম-প্রতীক ফ্রিজ ইস্যুতে আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তালিকাভুক্ত করে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আজ প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে শুনানি হয়। সেই শুনানিতে তৃণমূলের নাম-প্রতীক কোন পক্ষের, তা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করতে কতদিন সময় লাগবে, তা কমিশনকে জানাতে বলল সুপ্রিম কোর্ট।
কমিশনকে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?
এ দিন সুপ্রিম শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের তরফে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডুকে সময় জানতে নির্দেশ দেওয়া হয়। বলা হয়, ‘কত সময় লাগবে কথা বলে জানুন’। প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “বিষয়টি দীর্ঘায়িত করবেন না।” আগামী সোমবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
কী বলল মমতা-পন্থী তৃণমূল?
এ দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী কপিল সিব্বল আর্জি জানিয়ে বলেন, “এখন নির্বাচন প্রক্রিয়ার উপর আমরা কোনও স্থগিতাদেশ চাই না। কিন্তু অক্টোবরের পুর নির্বাচনের আগে নিষ্পত্তি করা হোক।”
যদিও, শুনানি পর্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে আইনজীবী কপিল সিব্বলের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিতে চাননি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। তাদের বক্তব্য, নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। দুই পক্ষই তাদের মনোনয়ন জমা দিয়েছে। পৃথক প্রতীক পেয়েছে। কমিশনের চূড়ান্ত নির্দেশ পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত। এমনকী, কখন এই বিষয়ে নিষ্পত্তি করা হবে, সেক্ষেত্রে কমিশনের আইনি এক্তিয়ার রয়েছে বলেও বুঝিয়ে দেন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।
এদিন কপিল সিব্বলের যুক্তি ছিল, গত ২ জুলাই মমতা তৃণমূলের তরফে সব নথি জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রতিপক্ষ শিবির বারবার সময় চেয়েছে। তিনি বলেন, “কেন নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? কমিশন আগে কেন সিদ্ধান্ত নিল না? এই অন্তর্বর্তীকালের নির্দেশ আইন মোতাবেক সঠিক কিনা, তা বিচার করুক সুপ্রিম কোর্ট। আমরা বর্তমান নির্বাচনী প্রক্রিয়ার উপর কোনও স্থগিতাদেশ চাইছি না। কিন্তু কমিশনকে অক্টোবরের মধ্যে এই বিতর্কের নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হোক। পুর নির্বাচনের আগে কমিশন এই বিষয়ের নিষ্পত্তি করুক।”
প্রধান বিচারপতি তখন বলেন, “আপনারাও জুলাই-অগস্ট মাসে সুপ্রিম কোর্টে আসতে পারতেন।”
ঋত-শিবিরের যুক্তি কী?
ঋতব্রত তৃণমূলের তরফে আইনজীবী মুকুল রোহতোগি বলেন, “এই বিতর্কে সমাধান সময়সাপেক্ষ। শিবসেনা এবং এনসিপি কেসের ক্ষেত্রে আমরা দেখেছি। কমিশনকে এভাবে সময় বেঁধে দেওয়া যায় না। এক্ষেত্রে সময় দিতে হবে।”
তাৎপর্যপূর্ণভাবে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর পর্যবেক্ষণ, “শিবসেনা মামলায় দীর্ঘদিন সময় নেওয়ার কী পরিণতি হয় আমরা দেখেছি।”
