Digital Pilot Licenses: বেসামরিক বিমান পরিষেবা নিয়ে বড় পদক্ষেপ সরকারের
Digital Pilot Licenses: কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী রামমোহন নাইডু এই উদ্যোগের সূচনা করেন। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO) এর অনুমোদনের পরে শুরু হয়েছে এই কাজ।

ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল সেক্টরকে আধুনিকীকরণের উদ্দেশ্যে আরও এক পা বাড়াল সরকার। সেই উদ্দেশ্যে চাল হল পাইলটদের ইলেকট্রনিক পার্সোনেল লাইসেন্স (ইপিএল) প্রদানের পরিষেবা।
কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী রামমোহন নাইডু এই উদ্যোগের সূচনা করেন। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO) এর অনুমোদনের পরে শুরু হয়েছে এই কাজ। ডিজিটাল পাইলট লাইসেন্স বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ।
প্রথাগত লাইসেন্সের পরিবর্তে EPL এখন ডিজিটাল ফরম্যাটে পাওয়া যাবে। eGCA মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে অ্যাক্সেসযোগ্য হবে এই লাইসেন্স। সরকারের “ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস” এবং “ডিজিটাল ইন্ডিয়া” দৃষ্টিভঙ্গির বাস্তব প্রতিফলন এই উদ্যোগ।
ইপিএল গ্রহণ করা আইসিএও-এর সংশোধনী ১৭৮-কে অ্যানেক্স ১ অনুসরণ করে। পার্সোনেল লাইসেন্সিং-এর ক্ষেত্রে আরও উন্নত পরিষেবা এবং নিরাপত্তাকে উৎসাহিত করে ইলেকট্রনিক লাইসেন্সিং। যদিও এখনও প্রায় সব দেশেই প্রথাগৎ নিয়ম চালু রয়েছে, ভারতের এই পদক্ষেপ সেই সবের দেশের কছেও একটা দৃষ্টান্ত হয়ে থেকে যাবে।
বহু বছর ধরে, ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ) স্মার্ট কার্ড ফরম্যাটে পাইলট লাইসেন্স জারি করেছে। ইতিমধ্যে ৬২,০০০ এরও বেশি লাইসেন্স বিতরণ করা হয়েছে। শুধুমাত্র ২০২৪ সালে, প্রায় পাইলটদের ২০,০০০ প্রিন্টেড কার্ড লাইসেন্সের প্রয়োজন ছিল। অর্থাৎ প্রতি মাসে গড়ে ১,৬৬৭ কার্ড। ইপিএল প্রবর্তনের মাধ্যমে, কার্ড লাইসেন্সের উপর নির্ভরতা ক্রমে বন্ধ হয়ে যাবে। প্লাস্টিক ও কাগজের ব্যবহার কমবে।
এই বিষয়ে মন্ত্রী রামমোহন নাইডু জানান, ভারতের দ্রুত সম্প্রসারিত বেসামরিক বিমান চালনার ক্ষেত্রে অদূর ভবিষ্যতে প্রায় ২০,০০০ নতুন পাইলটের প্রয়োজন হবে। পাইলটরা এই শিল্পের মেরুদণ্ড। ইজিসিএ এবং ইপিএল-এর মতো ডিজিটাল উদ্যোগগুলি তাদের বিশ্বব্যাপী নিয়োগযোগ্যতা বাড়াবে এবং নিরাপত্তাও বৃদ্ধি করবে। পাইলটদের সার্টিফিকেট রিয়েল-টাইম অ্যাক্সেস করা সম্ভব হবে।
ইপিএল চালু ভারতীয় বিমান চালনায় ডিজিটাল রূপান্তরের দিকে বৃহত্তর পদক্ষেপের অংশ। সরকার ইতিমধ্যে বেশ কিছু যুগান্তকারী উদ্যোগ চালু করেছে। যার মধ্যে রয়েছে লাইসেন্সের জন্য ইজিসিএ প্ল্যাটফর্ম, ড্রোনের জন্য ডিজিটাল স্কাই প্ল্যাটফর্ম এবং এয়ারলাইন অপারেশনের জন্য ইলেকট্রনিক ফ্লাইট ফোল্ডার (ইএফএফ)। এই প্রচেষ্টা সম্মিলিতভাবে বিমান চালনা সেক্টরের আধুনিকীকরণ এবং ডিজিটাল এভিয়েশন ক্ষেত্রে ভারতকে নেতৃত্বস্থানীয় জায়গায় পৌঁছে দেবে।
