AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

FIFA World Cup 2026: মেসি-রোনাল্ডোর পায়ে ফুল ফোটাবে চার্জ দেওয়া বল, বিশ্বকাপ ২০২৬ এর বল ‘ত্রিয়োন্দা’-র ব্যাপারে জানেন?

Trionda: গোটা বিশ্বে বছরে যত ফুটবল তৈরি হয় তার সত্তর শতাংশই আসে পাকিস্তানের সিয়ালকোট থেকে। অ্যাডিডাস জার্মান সংস্থা হলেও তারা সিয়ালকোটের কারখানাতেই ত্রিয়োন্দা তৈরি করেছে। তবে সিয়ালকোটে কিন্তু ১৯৮২ সাল থেকেই বিশ্বকাপের বল বানানো হয়।

FIFA World Cup 2026: মেসি-রোনাল্ডোর পায়ে ফুল ফোটাবে চার্জ দেওয়া বল, বিশ্বকাপ ২০২৬ এর বল 'ত্রিয়োন্দা'-র ব্যাপারে জানেন?
বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিশিয়াল ম্যাচ বল ত্রিয়োন্দা।Image Credit: Getty Images
| Edited By: | Updated on: Jun 12, 2026 | 10:46 PM
Share

– সোমনাথ দাস 

কলকাতা: শুরু হয়ে গিয়েছে ফুটবলের মহাযজ্ঞ। আগামী দেড় মাস নেইমার (Neymar Jr.), মেসি (Lionel Messi), রোনাল্ডোদের (Cristiano Ronaldo) পায়ের জাদুতে মাতবে গোটা বিশ্ব। গতকাল বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে (South Africa) ২-০ গোলে হারিয়েছে মেক্সিকো (Mexico)। আজ সকালে চেকিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে দিয়েছে এশিয়ার দেশ দক্ষিণ কোরিয়া। কিন্তু, বিশ্বকাপের ম্যাচের আগে থেকেই চর্চায় রয়েছে বিশ্বকাপের বল।

যেকোনও বিশ্বকাপে কোনও ম্যাচের পাশাপাশি সমান আলোচনা, বিতর্কের কেন্দ্রে থাকে বিশ্বকাপের বলও। তবে, এবার অ্যাডিডাস ত্রিয়োন্দা নামে যে বলটা তৈরি করেছে তা আগের সব আলোচনা-কৌতুহলকে ছাপিয়ে গিয়েছে। কারণ এই বল হল স্মার্ট বল। হ্যাঁ, এই বলে চার্জ দেওয়া যায়। তবে, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপেই কিন্তু এই চার্জ দেওয়া বল প্রথম আসেনি। গত বিশ্বকাপে কাতারে এই বল প্রথম দেখা গিয়েছিল। অর্থাৎ, এই বছর এই চার্জ দেওয়া বল দেখা যাবে দ্বিতীয়বার। তাহলে বল নিয়ে একটু বলেই ফেলি।

স্প্যানিশে ত্রিয়োন্দা শব্দের মানে তিন ঢেউ। এবার বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ কানাডা, মেক্সিকো, আমেরিকা। বলে আছে ৩ দেশের ৩ পতাকার লাল, সবুজ ও নীল রং। আর একই সঙ্গে আছে প্রযুক্তির চমক। দেখতে সাধারণ ফুটবলের মতো হলেও এটা আসলে একটা স্মার্ট বল। বলের ভেতরে আছে এক স্পেশাল সেন্সর ইউনিট, যা কিনা প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ ডেটা কালেক্ট করতে পারে। বল কত দ্রুত এগোচ্ছে, কোন দিকে ঘুরছে, কখন এবং কোথায় বল টাচ করা হচ্ছে – এই সমস্ত তথ্য মুহূর্তের মধ্যে ওই ইউনিটে রেকর্ড হয়ে যাবে। ফলে অফসাইড, বল গোললাইন পেরিয়েছে কি পেরোয়নি, হ্যান্ডবলের মতো বিষয়গুলোও নিখুঁতভাবে বোঝা যাবে। এজন্য সেন্সর আর ব্যাটারি সচল রাখতে খেলা শুরুর আগে বলে চার্জ দিতে হবে। একবার চার্জ দিলে চার্জ থাকবে ৬ ঘণ্টা। ফলে ম্যাচ টাইব্রেকারে গেলেও রেফারিকে এ নিয়ে ভাবতে হবে না। ত্রিয়োন্দার ব্যবহারে টিভি-তে খেলা দেখার অভিজ্ঞতাও আরও ভাল হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কোন শটে কতটা স্পিন ছিল, কার কিকে বলত কত জোরে ছুটেছে, এসব আরও ভালোভাবে জানতে পারবেন দর্শকরা।

ত্রিয়োন্দা সম্বন্ধে ফিফা জানিয়েছে, বলের নকশা এবার এমনভাবেই তৈরি হয়েছে যাতে প্লেয়ারদের বল কন্ট্রোলে সুবিধা হবে। বাতাসের গতি খুব বেশি হলেও বলের গতিপথ বদলাবে না। বৃষ্টি হলে বা হিউমিডিটি বেশি থাকলেও গোলকিপারের বল গ্রিপ করতে সমস্যা হবে না। আর হ্যাঁ, আরেকটা কথাও আপনাদের জানিয়ে রাখি। গোটা বিশ্বে বছরে যত ফুটবল তৈরি হয় তার সত্তর শতাংশই আসে পাকিস্তানের সিয়ালকোট থেকে। অ্যাডিডাস জার্মান সংস্থা হলেও তারা সিয়ালকোটের কারখানাতেই ত্রিয়োন্দা তৈরি করেছে। তবে সিয়ালকোটে কিন্তু ১৯৮২ সাল থেকেই বিশ্বকাপের বল বানানো হয়। অতীতে এই শহর দিয়েছে ঐতিহাসিক ট্যাঙ্গো এসপানা (১৯৮২), ব্রাজুকা (২০১৪), টেলস্টার (২০১৮), আল রিহলা (২০২২)। তবে এবার ত্রিয়োন্দা বানিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে জায়গা না পাওয়া সত্ত্বেও আমেরিকা, মেক্সিকো, কানাডা মাতাবে পাকিস্তান।

Follow Us