AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

India on Khamenei Death: পক্ষ-বাছাই এড়িয়ে কূটনৈতিক সৌজন্য! খামেনেইয়ের মৃত্যুতে কৌশলী নয়াদিল্লি

শিয়া স্কোলার ছিলেন তিনি, তাঁর সূত্র ধরেই খামেনেইয়ের এদেশের সঙ্গে পরোক্ষ সংযোগ ছিল বলে মনে করা হয়। এছাড়াও খামেনেইয়ের মৃত্যুতে শোকের ঢল নামে কাশ্মীর-সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলেও। কিন্তু তখনও সেই মার্কিন-হত্য়ায় 'মৌনতা' বজায় রাখে কেন্দ্র। যা নিয়ে আক্রমণ করে বিরোধী শিবির। প্রশ্ন তোলা হয় মোদী সরকারের 'নীরবতা' নিয়ে।

India on Khamenei Death: পক্ষ-বাছাই এড়িয়ে কূটনৈতিক সৌজন্য! খামেনেইয়ের মৃত্যুতে কৌশলী নয়াদিল্লি
ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎ বিদেশসচিবেরImage Credit: সংগৃহিত (X)
| Updated on: Mar 05, 2026 | 5:48 PM
Share

নয়াদিল্লি: অবস্থান এখনও অস্পষ্ট, তবে কূটনৈতিক সৌজন্য বজায় রাখল ভারত। ইরানের নিহত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলী খামেনেইয়ের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ নয়াদিল্লির। রাজধানীতে স্থিতু ইরানের দূতাবাসে পৌঁছে গেলেন ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রি। দেখা করলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাতালির সঙ্গে। পাশাপাশি, খামেনেইয়ের মৃত্যুতে একটি সমবেদনা জানানোর খাতায় স্বাক্ষর করেছেন বিদেশসচিব।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার মৃত্যুর পাঁচ দিনের মাথায় কূটনৈতিক সৌজন্য প্রদর্শন ভারতের। যা দেখে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, ইরান নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট না-করলেও সৌজন্য বজায় রেখেছে নয়াদিল্লি। গত শনিবার আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয়েছে আলী খামেনেইয়ের। ১৯৮৯ সাল থেকেই ইরানের সুপ্রিম-লিডারের পদে আসীন ছিলেন তিনি। দেশের সর্বেসর্বা ছিলেন আলী খামেনেই। এর আগেও একাধিকবার তাঁকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছিল আমেরিকা। যা সফল হয়েছে চলতি বছর নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাত পর্বে।

উল্লেখ্য, খামেনেইয়ের মৃত্যুর প্রভাব পড়েছিল ভারতেও। তিনি ইরানের সুপ্রিম লিডার হলেও তাঁর পরোক্ষ যোগাযোগ ছিল উত্তর প্রদেশের সঙ্গে। আলী খামেনেইয়ের গুরু আয়াতোল্লা রুহোল্লা খোমেইনি ছিলেন উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। শিয়া স্কোলার ছিলেন তিনি, তাঁর সূত্র ধরেই খামেনেইয়ের এদেশের সঙ্গে পরোক্ষ সংযোগ ছিল বলে মনে করা হয়। এছাড়াও খামেনেইয়ের মৃত্যুতে শোকের ঢল নামে কাশ্মীর-সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলেও। কিন্তু তখনও সেই মার্কিন-হত্য়ায় ‘মৌনতা’ বজায় রাখে কেন্দ্র। যা নিয়ে আক্রমণ করে বিরোধী শিবির। প্রশ্ন তোলা হয় মোদী সরকারের ‘নীরবতা’ নিয়ে।

একটি প্রথমসারির সংবাদমাধ্যমে কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী লেখেন, “ইরান বিভিন্ন সময়ে ভারতের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। সে কথা মাথায় রেখেই খামেনেইয়ের হত্যার নিন্দা করা উচিত ছিল ভারতের। কিন্তু তা না করে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ইরানের প্রত্যাঘাতের নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।” যদিও বিজেপির দাবি, সনিয়ার এই সকল মন্তব্য কূটনৈতিক টানাপোড়েন ও পরিস্থিতি না বুঝেই করা।