Kakoli Ghosh Dastidar: সাংসদ পদ হারাবেন কল্যাণ? লোকসভার স্পিকারকে চিঠি কাকলির
Kakoli Ghosh Dastidar Seeks Kalyan Banerjee Expulsion: ২ দিন আগে কাকলির পুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ যে পাঁচজনকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন, সেখানে কল্যাণের নাম রয়েছে। এবার শ্রীরামপুরের সাংসদকে বহিষ্কারের আবেদন জানিয়ে কাকলি চিঠি লিখলেন ওম বিড়লাকে। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, তৃণমূলে এই ভাঙনের সময় কল্যাণের বিরুদ্ধে স্পিকার পদক্ষেপ করলে আরও সমস্যায় পড়বে ঘাসফুল শিবির।

কলকাতা ও নয়াদিল্লি: এবার শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjee) বিরুদ্ধে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)। কল্যাণকে লোকসভা থেকে বহিষ্কারের আবেদন জানালেন। স্পিকারকে লেখা চিঠিতে কাকলি অভিযোগ করেছেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার মৌখিকভাবে অপমানজনক ভাষা ব্যবহার করেছেন। নারীবিদ্বেষী মন্তব্য করেছেন। এবং অসদাচরণ করেছেন।
বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকেই একের পর এক তৃণমূল সাংসদ দলের বিরুদ্ধে সরব হন। তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছে কাকলিকে। সেখানে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়ে বিক্ষুব্ধ সাংসদদের নিয়মিত নিশানা করে চলেছেন কল্যাণ। এই পরিস্থিতিতে কল্যাণকে বহিষ্কার করার আবেদন জানিয়ে ওম বিড়লাকে চিঠি লিখলেন কাকলি।
চিঠিতে কাকলি লিখেছেন, কল্যাণের এই আচরণ শুধু ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, বরং মহিলা সাংসদদের প্রতি ধারাবাহিক হয়রানি ও ভয় প্রদর্শনের একটি অংশ। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ও আচরণ লোকসভার মর্যাদা, শৃঙ্খলা ও সংসদীয় রীতিনীতিকে ক্ষুণ্ণ করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এই আচরণ বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং একটি ইচ্ছাকৃত প্রবণতা। ওম বিড়লাকে আবেদন জানিয়ে চিঠিতে কাকলি লিখেছেন, “ভবিষ্যতে এ ধরনের আচরণ রোধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। লোকসভার পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক কিংবা শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।” রুল ৩১৪ (১)-এর উল্লেখ করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করার সুপারিশ বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন কাকলি।
২ দিন আগে কাকলির পুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ যে পাঁচজনকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন, সেখানে কল্যাণের নাম রয়েছে। এবার শ্রীরামপুরের সাংসদকে বহিষ্কারের আবেদন জানিয়ে কাকলি চিঠি লিখলেন ওম বিড়লাকে। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, তৃণমূলে এই ভাঙনের সময় কল্যাণের বিরুদ্ধে স্পিকার পদক্ষেপ করলে আরও সমস্যায় পড়বে ঘাসফুল শিবির। কাকলির চিঠির প্রেক্ষিতে ওম বিড়লা কোনও পদক্ষেপ করেন কি না, সেটাই এখন দেখার।
