Live In Relation: লিভ ইনে থাকা যুগলদেরও ‘বিবাহিত’ গণ্য করা হবে! জনগণনায় বিরাট সিদ্ধান্ত
Census 2027: এবার প্রথম ডিজিটাল জনগণনা হচ্ছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণ নিজেই নিজেদের তথ্য আপলোড করতে পারবেন। এই সেল্ফ-এনুমারেশন প্রক্রিয়াতেই কেন্দ্রের পোর্টালে যুগলরা নিজেদের বিবাহিত বলে উল্লেখ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে তাদের বিয়ের কোনও প্রমাণ দিতে হবে না।

নয়া দিল্লি: আজ থেকে শুরু হচ্ছে জনগণনা। ২০১১ সালের পর, দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবার দেশ জুড়ে জনগণনা হতে চলেছে। এবারের জনগণনায় এক বিরাট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। লিভ ইন সম্পর্কে থাকা যুগলদেরও বিবাহিত বলে গণ্য করা হবে। তবে সকলের জন্য এই নিয়ম প্রয়োজ্য নয়, বিশেষ কিছু যুগলদেরই বিবাহিত বলে গণ্য় করা হবে। কারা এরা?
জনগণনা নিয়ে সাধারণ মানুষের একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিতেই কেন্দ্রের তরফে পোর্টাল চালু করা হয়েছে। তাতে জনগণ সর্বাধিক যে প্রশ্নগুলি করে, তার উত্তর দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। জনগণনা সংক্রান্ত জিজ্ঞাস্য় প্রশ্নে (FAQ) বলা হয়েছে যে যদি লিভ ইনে থাকা যুগলদের বিবাহিত গণ্য করা হবে। তবে একমাত্র যদি তারা নিজেদের সম্পর্ককে স্থায়ী বা স্থিতিশীল (Stable Relation) বলে মনে করেন, তবে তাদের বিবাহিত বলে গণ্য করা হবে।
এবার প্রথম ডিজিটাল জনগণনা হচ্ছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণ নিজেই নিজেদের তথ্য আপলোড করতে পারবেন। এই সেল্ফ-এনুমারেশন প্রক্রিয়াতেই কেন্দ্রের পোর্টালে যুগলরা নিজেদের বিবাহিত বলে উল্লেখ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে তাদের বিয়ের কোনও প্রমাণ দিতে হবে না।
জনগণনায় নিজের ও পরিবারের তথ্য নথিভুক্ত করতে হবে। এই তথ্যের পাশাপাশি বাড়ি ও সম্পত্তির তথ্যও উল্লেখ করতে হবে। এরপর জনগণনার আধিকারিকরা প্রত্যেক বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য খতিয়ে দেখবেন। ওই তথ্য যাচাইয়ের পর আবেদনপত্রে আর পরিবর্তন করা যাবে না। তা লক হয়ে যাবে।
যদিও স্থিতিশীল বা স্টেবল রিলেশন বলতে কী বোঝানো হচ্ছে, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা করেনি কেন্দ্র।
কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৭ সালে জনগণনা সম্পূর্ণ হবে। এবারের জনগণনা মোট দুই দফায় হবে। প্রথম দফা হবে ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। জনগণনায় মোট ৩৩টি প্রশ্ন করা হবে। পরিবারের প্রধানের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এবারে ওটিপি ভিত্তিক ভেরিফিকেশন করা হবে।
