New criminal law: বাতিল হতে চলেছে ব্রিটিশ আমলের ফৌজদারি আইন, নতুন তিন সংহিতা চালু হওয়ার দিন জানাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
মূলত, ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ জমানার প্রভাব মুছে ফেলতে নরেন্দ্র মোদীর ফৌজদারী সংক্রান্ত তিনটি আইন নিয়ে এসেছে। এগুলি হল- ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং ভারতীয় সাক্ষ্য বিল। ১৮৬০ সালে তৈরি হওয়ার ফৌজদারী আইন (CrPc)-এর বদলে এই তিনটি আইন আনা হয়েছে।

নয়া দিল্লি: ইতিহাসের অবসান। এবার অতীত হতে চলেছে ব্রিটিশ আমলের তৈরি ভারতীয় ফৌজদারী আইন (CrPc)। তার জায়গায় আসছে নতুন তিনটি ফৌজদারী আইন, দণ্ড সংহিতা। গত বছরের ডিসেম্বরেই এটি সংসদের দুই কক্ষে পাশ হয়ে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়। এবার গোটা দেশে কার্যকর হতে চলেছে এই নয়া বিধি। আগামী ১ জুলাই এই আইন কার্যকর হবে। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়ে একথা ঘোষণা করা হয়েছে।
মূলত, ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ জমানার প্রভাব মুছে ফেলতে নরেন্দ্র মোদীর ফৌজদারী সংক্রান্ত তিনটি আইন নিয়ে এসেছে। এগুলি হল- ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং ভারতীয় সাক্ষ্য বিল। ১৮৬০ সালে তৈরি হওয়ার ফৌজদারী আইন (CrPc)-এর বদলে এই তিনটি আইন আনা হয়েছে।
গত বছরের বাদল অধিবেশনের সময় ফৌজদারি সংক্রান্ত এই তিনটি বিল লোকসভায় পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। ঔপনিবেশিক জমানার প্রভাব ও ঔপনিবেশিক মানসিকতা দূর করতেই এই তিনটি বিল পেশ করা হল বলে শাহ জানান। যদিও কংগ্রেস-সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলি তাড়াহুড়ো করে এই বিল পাশের বিরোধিতা করে। যদিও সেই বিরোধিতা ধোপে টেকেনি। তারপর গত ২১ ডিসেম্বর শীতকালীন অধিবেশনে সংসদের দুই কক্ষে বিল তিনটি পাশ হয়। এরপর গত ২৫ ডিসেম্বর এই তিনটি বিলে অনুমোদন দিয়ে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ফলে বিল তিনটি আইনে পরিণত হয়। তবে এতদিন এগুলি কার্যকর হয়নি। এক বছরের মধ্যেই এই আইন গোটা দেশে কার্যকর হবে বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন। সেই মোতাবেকই এবার এই নতুন ফৌজদারী আইন দেশে কার্যকর হওয়ার দিন ঘোষণা করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এই আইন চালু হওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যেই ভারতীয় ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে উন্নত বিচার ব্যবস্থা হবে বলেও জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
