AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

১০৯ বছর আগে ৩৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিল ব্রিটিশরা, সেই টাকা ফেরত চাইবে রুঠিয়া পরিবার

British Era Loan: রুথিয়া পরিবারের কাছ থেকে ব্রিটিশ শাসকরা ঋণ নিলেও, তা আর কখনওই মেটানো হয়নি। ব্রিটিশ শাসকরা দেশ ছেড়ে চলে যায়, ভারত স্বাধীন হয়, কিন্তু টাকা পায়নি রুঠিয়া পরিবার। এবার প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় পার করে, শেঠ জুম্মালালের নাতি, বিবেক রুঠিয়া প্রস্তুতি নিচ্ছেন ব্রিটিশ সরকারকে আইনি নোটিস পাঠানোর জন্য।

১০৯ বছর আগে ৩৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিল ব্রিটিশরা, সেই টাকা ফেরত চাইবে রুঠিয়া পরিবার
রুঠিয়া পরিবারের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিল ব্রিটিশরা।Image Credit: X
| Updated on: Feb 26, 2026 | 9:45 AM
Share

ভোপাল: বণিকের মানদণ্ড পরিণত হল রাজদণ্ডে। বাণিজ্য করতে এসে দুশো বছর ধরে ভারত শাসন করেছিল ব্রিটিশরা। তারা গর্ব করত যে এত দেশ শাসন করে তারা, বিরাট সাম্রাজ্য় তাদের। তবে সেই বণিককেও একদিন হাত পাততে হয়েছিল এক ভারতীয়ের সামনে। শত বছর আগে ভুলে যাওয়া  একটা কাগজের জোরেই আজ ব্রিটিশদের নেওয়া ঋণের অর্থ ফেরত চাইল ভারতীয়।

মধ্য প্রদেশের ছোট শহর সেহর। ১০৯ বছর আগে, ১৯১৭ সালে যখন গোটা বিশ্ব যুদ্ধের টানাপোড়েনে বিধ্বস্ত, তখন ব্রিটিশ সরকার এই শহরের বাসিন্দা, ধনী ব্যবসায়ী শেঠ জুম্মালাল রুঠিয়ার কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিল। সেই যুগে ৩৫ হাজার টাকা আজকের যুগে কোটি টাকারও বেশি।

রুথিয়া পরিবারের কাছ থেকে ব্রিটিশ শাসকরা ঋণ নিলেও, তা আর কখনওই মেটানো হয়নি। ব্রিটিশ শাসকরা দেশ ছেড়ে চলে যায়, ভারত স্বাধীন হয়, কিন্তু টাকা পায়নি রুঠিয়া পরিবার। এবার প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় পার করে, শেঠ জুম্মালালের নাতি, বিবেক রুঠিয়া প্রস্তুতি নিচ্ছেন ব্রিটিশ সরকারকে আইনি নোটিস পাঠানোর জন্য। ১০৯ বছর আগে নেওয়া ঋণ না মেটানোর জন্যই এই নোটিস পাঠাবেন তিনি। উদ্ধার করে আনবেন ঐতিহাসিক বৈদেশিক ঋণ।

বিবেক রুঠিয়া জানিয়েছেন, সম্প্রতিই তাঁর বাবার মৃত্যুর পর  পুরনো রেকর্ড ও পারিবারিক দলিলের কাগজের মধ্যে থেকে ব্রিটিশ সরকারের নেওয়া ঋণের নথি খুঁজে পায়। জানা গিয়েছে, ওই সময়ে ব্রিটিশ সরকার শেঠ জুম্মালালের কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিল ভোপাল প্রিন্সলিতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা ঠিক করার জন্য। যুদ্ধের ঋণ বা ওয়ার লোন নাম দেওয়া হয়েছিল।

১৯৩৭ সালে শেঠ জুম্মালাল রুঠিয়ার মৃত্যু হয়। তারপর ব্রিটিশ সরকারও টাকা ফেরত দেয়নি আর রুঠিয়া পরিবারও ধীরে ধীরে ব্রিটিশদের নেওয়া ঋণের কথা ভুলে যায়।

জানা গিয়েছে, ওই পরিবার আন্তর্জাতিক আইনের শর্ত অনুযায়ী ঋণের টাকা ফেরত চাইবে। আইন অনুযায়ী, সার্বভৌম দেশ আগের ঋণ মিটিয়ে দিতে দায়বদ্ধ।