PM Modi-BJP MP Meeting: খগেন মুর্মুর উপরে কারা, কীভাবে হামলা করেছিল, বিজেপি সাংসদদের কাছে জানতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী
PM Modi Meeting: খগেন মুর্মুর উপরে হামলা ও স্বাস্থ্যের আপডেট নেওয়ার পাশাপাশি বাংলার বিজেপি নেতা-কর্মীদের উপর কীভাবে পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে চাপ দেওয়া হচ্ছে, সে বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। রাজ্যে বিজেপির সংগঠনের হালহকিকত জানতে চান প্রধানমন্ত্রী।

জ্যোতির্ময় কর্মকার ও প্রদীপ্ত কান্তি ঘোষের ইনপুট
নয়া দিল্লি: বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর উপরে কারা, কীভাবে হামলা চালিয়েছিল, জানতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। আজ, ৩ ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সাংসদদের নিয়ে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। প্রধানমন্ত্রীর দফতরেই এই বৈঠক হয়। আর সেখানেই উঠে এল খগেন মুর্মুর (Khagen Murmu) প্রসঙ্গ। একইসঙ্গে বাংলার রাজনীতি ও নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
২০২৬ সালেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে থেকেই নির্বাচনী ঘুঁটি সাজাচ্ছে বিজেপি। এবার প্রধানমন্ত্রীও বসলেন বাংলার সাংসদদের নিয়ে। আজ, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে বাংলার বিজেপির সাংসদদের নিয়ে বৈঠক শুরু হয়। সেই বৈঠক এখনও চলছে বলেই খবর। বৈঠকে রয়েছেন দুই কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ও শান্তনু ঠাকুর। ছিলেন ১২ জন সাংসদ। তবে উপস্থিত ছিলেন না অনন্ত মহারাজ। শারীরিক অসুস্থতার কারণে উপস্থিত ছিলেন না জলপাইগুড়ির বিধায়ক জয়ন্ত রায়ও।
সূত্রের খবর, বাংলার সাংসদদের সঙ্গে এই বৈঠকেই উঠে আসে খগেন মুর্মুর ওপর হামলার প্রসঙ্গ। কীভাবে খগেন মুর্মুর ওপর হামলা চালানো হয়েছে, তা জানতে চান প্রধানমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, অক্টোবরে, পুজোর সময় লাগাতার বর্ষণ, বন্যায় উত্তরবঙ্গ যখন বিপর্যস্ত হয়েছিল, সেই সময় নাগরাকাটা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। সেখানেই বিক্ষোভের মুখে পড়েন তারা। গাড়িতে পাথর ছোড়া হয়। পাথরের আঘাতে গুরুতর আঘাত পান খগেন মুর্মু। জখম হন শঙ্কর ঘোষও। দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন খগেন। তাঁর অস্ত্রোপচারও করতে হয়।
এসআইআর নিয়েও প্রধানমন্ত্রী বঙ্গ বিজেপির সাংসদদের বিশেষ বার্তা দিয়েছেন। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে যাতে জটিলতা তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতে বলেছেন তিনি। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এসআইআর প্রক্রিয়া যেন সহজ ও স্বচ্ছ হয়। একমাত্র বৈধ ভোটাররাই তালিকায় থাকেন এবং অবৈধ ভোটারদের নাম বাদ যায়।
খগেন মুর্মুর উপরে হামলা ও স্বাস্থ্যের আপডেট নেওয়ার পাশাপাশি বাংলার বিজেপি নেতা-কর্মীদের উপর কীভাবে পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে চাপ দেওয়া হচ্ছে, সে বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। রাজ্যে বিজেপির সংগঠনের হালহকিকত জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দেওয়া সত্ত্বেও দার্জিলিঙে উন্নয়নের কাজ কেন থমকে রয়েছে, তা জানতে চান প্রধানমন্ত্রী মোদী।
সূত্র মারফত আরও জানা গিয়েছে যেৃ প্রধানমন্ত্রীকে দ্রুত বাংলায় আসার আবেদন জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ডিসেম্বরেই প্রধানমন্ত্রী মোদী বাংলায় আসবেন নাকি পরে, তা তাঁর দফতর ঠিক করবে।
এদিকে, এই আবহেই দিল্লি গেলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের দাবি, অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতেই তিনি দিল্লি গিয়েছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই শুভেন্দু অধিকারীকে ডেকে পাঠিয়েছেন। রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলেই খবর।
