ব্যাপক উৎপাদন বেড়েছে রেমডেসিভিরের, সুখবর শোনাল কেন্দ্র

সঙ্কটের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর থেকেই লাগাতার রেমডেসিভিরের ওপর নজর রেখেছিল ফার্মাসিউটিক্যাল ডিপার্টমেন্ট।

ব্যাপক উৎপাদন বেড়েছে রেমডেসিভিরের, সুখবর শোনাল কেন্দ্র
ফাইল চিত্র

নয়া দিল্লি: দেশ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিধ্বস্ত। এই পরিস্থিতিতে বারবার সামনে আসছে ভেঙে পড়া স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর ছবি। একাধিক রাজ্যে শয্যা সঙ্কট, অক্সিজেনের পর্যাপ্ত জোগান নেই। প্রাণদায়ী করোনার ওষুধ নিয়েও টানাটানি। এই পরিস্থিতিতে করোনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভিরের (Remdesivir) আকাল দেখা গিয়েছে। দেশের অভ্যন্তরে পর্যাপ্ত ওষুধ জোগান দিতে বিদেশেও ওষুধ রফতানি বন্ধ করেছে ভারত। এই পরিস্থিতিতে সুখবর শোনাল কেন্দ্র। অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে প্রতি মাসে ১ কোটি ১৯ লক্ষ ভায়েল রেমডেসিভির উৎপাদন হচ্ছে দেশে, এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্র।

সোমবার দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল ডিপার্টমেন্ট এ কথা জানিয়েছে। সঙ্কটের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর থেকেই লাগাতার রেমডেসিভিরের ওপর নজর রেখেছিল ফার্মাসিউটিক্যাল ডিপার্টমেন্ট। তারপর দ্রুত উৎপাদন বৃদ্ধি করে জোগান বাড়াতে পেরেছে তারা। ৭টি ভারতীয় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিকে রেমডেসিভিরের পেটেন্ট দিয়েছিল মার্কিন জিলিড লাইফ সায়েন্স। যার মধ্যে নাম ছিল সিপলা, ডঃ রেড্ডি ল্যাব, হেটেরো জুবিল্যান্ট ফার্মা, মিলান, সিঞ্জিন ও জাইডাস ক্যাডিলার।

কেন্দ্র ৩৮টি অতিরিক্ত কারখানায় উৎপাদন শুরু করেছিল রেমডেসিভির। যার ফলে দেশের ২২-এর পরিবর্তে ৬০টি উৎপাদন কেন্দ্রে তৈরি হচ্ছিল প্রাণদায়ী এই ওষুধ। বিবৃতি দিয়ে এ কথা জানিয়েছে ফার্মাসিউটিক্যাল ডিপার্টমেন্ট। বিদেশমন্ত্রকের হস্তক্ষেপে বিদেশ থেকে ক্রমাগত কাঁচামাল পেয়েছে নির্মাতা সংস্থাগুলি। ফলস্বরূপ লাগাতার উৎপাদন বেড়েছে এই ওষুধের।

ফার্মাসিউটিক্যাল ডিপার্টমেন্ট এ-ও জানিয়েছে ভারত মোট ৫ লক্ষ ২৬ হাজার ভায়েল রেমডেসিভির অন্যান্য দেশ থেকে করোনাযুদ্ধে পেয়েছে। ৪০ হাজার ভায়েল আমদানিও বয়েছে। যা রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির হাতে তুলে দিয়েছে কেন্দ্র।

আরও পড়ুন: তাউটের তাণ্ডবে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু, ঘরছাড়া অগণিত