Supreme Court: যাঁর নাম বাদ গিয়েছে তাঁর বক্তব্য শোনা হোক: সুপ্রিম কোর্ট
Supreme Court SIR Case Hearing: প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত: কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির চিঠি এসেছে। ৬ তারিখ বেলা ১২টা পর্যন্ত ৫৯ লক্ষ ১৫ হাজার ৩৯ জনের আবেদনের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। তার মানে এখন আশা করা যায় সমস্ত বিষয় নিষ্পত্তি হয়েছে। কমিশনের আইনজীবী: ২৬ হাজার এর বাকি আছে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হয়ে যাবে। আজকের মত সমগ্র প্রক্রিয়া শেষ হবে।

নয়া দিল্লি: সোমবার সুপ্রিম কোর্টে চলছে এসআইআর মামলার শুনানি। এর আগে গুরুত্ব পূর্ণ নির্দেশ দিয়েছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বিচারবিভাগের তদারকিতে এসআইআর-এর কাজ চলার নির্দেশ ছিল। সেই মতো চলছে জুডিশিয়াল অফিসারদের তত্ত্বাবধানে চলছে কাজ।
মামলার যাবতীয় সওয়াল-জবাব একনজরে
প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত: কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির চিঠি এসেছে। ৬ তারিখ বেলা ১২টা পর্যন্ত ৫৯ লক্ষ ১৫ হাজার ৩৯ জনের আবেদনের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। তার মানে এখন আশা করা যায় সমস্ত বিষয় নিষ্পত্তি হয়েছে।
কমিশনের আইনজীবী: ২৬ হাজার এর বাকি আছে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হয়ে যাবে। আজকের মত সমগ্র প্রক্রিয়া শেষ হবে।
প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত: চিঠিতে বলা হয়েছে বিভিন্ন সমস্যা সত্ত্বেও মালদহে ৮ লক্ষ মানুষের আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছে।
কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডু: ট্রাইব্যুনাল আমরা একজন কো-অর্ডিনেটর নিয়োগ করেছি। আজ সকালে একটি সমস্যা এখানে উল্লেখ হয়েছে। তার নিষ্কৃতি মধ্যেই করা হয়ে গিয়েছে।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত: যাদের আবেদনের নিষ্পত্তি হচ্ছে তাঁদের রিসিপ্ট receipts দেওয়া হয়েছে?
কমিশনের আইনজীনী ডি এস নাইডু: তারা স্বীকৃতি (acknowledgement) পাচ্ছেন।
বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী: নোডাল অফিসারের দায়িত্ব থাকবে সকলে অ্যাকনলেজমেন্ট রিসিট বাড়ছে কি না সেটা দেখার।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত: এই মামলার জন্য আমায় কোর্ট রুমের ভিতরে মোবাইল আনতে হয়েছে কি না।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত: অ্যাপেলেট ট্রাইব্যুনালের পরিকাঠামোগত বিষয় এবং জাজদের সাম্মানিক অর্থ দেওয়া হচ্ছে?
রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়: নতুন তথ্য় জমা দেওয়ার জন্য যে আবেদন তা লেখার জায়গা ওয়েবসাইটে নেই। জমা দেওয়া ডকুমেন্টসের কোনও রিসিপ্ট দেওয়া হয়নি।
বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী: ১৯৯৫ সালে জন্মের পরে যখন ২০২৫ সালে বার্থ সার্টিফিকেট বের করা হয় তখন সত্যিই সেটা সন্দেহজনক হয়।
রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়: বিচারপতি শিবজ্ঞানমের এজলাসে যে মামলা উঠেছে, তাতে বলা হয়েছে কেন নাম বাদ গিয়েছে তা উল্লেখ করা হয়নি।
মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান: মাত্র ৫৫ শতাংশকে গ্রহণ করা হয়েছে। বাকি নাম বাদ গিয়েছে।
অ্যাপলেট ট্রাইবুনাল এখনও পুরোপুরি কাজ করছে না। লম্বা লাইন পড়ে গিয়েছে। শুধুমাত্র আপিল ফাইল করার জন্য লম্বা লাইন।
প্রথম পর্যায়ের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন আজ হয়ে গেল।
১৫ই এপ্রিলের মধ্যে ট্রাইবুনাল সমস্ত বিষয় নিষ্পত্তি করুন। ১৮ এপ্রিল তালিকা প্রকাশ হোক। যাঁদের নামের নিষ্পত্তি হবে না তাঁদের ভোটাধিকার দেওয়া হোক। এটা আমাদের আবেদন।
বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী: লজিক্যাল ডিসক্রেপান্সির কেসের বিরাট চাপ বিচারকরা সামলেছেন।
বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী: মানুষের সংবিধানিক অধিকার যাতে বজায় থাকে তা দেখার জন্য আমরা ট্রাইবুনালকে অবশ্যই বলব।
বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী: কীভাবে কাজ হবে তা অ্যাপেলেট ট্রাইবুনাল নিজেরা ঠিক করবে। এক্ষত্রে অবশ্যই ন্যাচারাল জাস্টিস (natural justice)-এর নীতি অনুসরণ করা হবে। চূড়ান্ত আদেশ পেতে এক মাস সময় লাগতে পারে, এমনকি ৬০ দিনও লাগতে পারে। আমরা এই আশঙ্কার ভিত্তিতে কিছু মানুষকে অনুমতি দিয়ে দিতে পারি না। শুধু এই কারণে অনুমতি দেওয়া যায় না যে তাঁরা আগে ম্যাপ করা হয়েছিল।
আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়: প্রথম পর্যায়ের ভোটের আগে যাঁদের নামের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে, তাঁদের অন্তত ভোট দেওয়ার অধিকার দেওয়া হোক।
কমিশনের আইনজীবী নাইডু: আপনারা সকল সময়সীমা বাড়িয়ে যথেষ্ট উদারতা দেখিয়েছেন। বিচারকরা বিষয়টি পরীক্ষা করছেন এবং যাঁরা এক্ষেত্রে অসন্তুষ্ট, তাঁরা আপিল করতে পারেন। এসব প্রক্রিয়ায় সময় লাগে।
(এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শুনানিতে তুলে ধরে)
কমিশনের আইনজীবী নাইডু: সিআরপিএফ মারতে আসতে পারেন,মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন।
সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা: একজন মহিলা জুডিশিয়াল অফিসার বলছেন, আমাকে বাঁচান।
কমিশনের আইনজীবী নাইডু: এই ধরনের বক্তব্যই নির্বাচনের পরিবেশকে বিষিয়ে তুলছে।
(পাল্টা ভিডিয়ো কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের)
আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়: মুখ্যমন্ত্রী কে হত্যা করার কথা বলা হয়েছে। আপনি এই ভিডিওটা দেখুন
বিচারপতি সূর্য কান্ত: আমরা ট্রাইব্যুনালকে বলব, আবেদনের নিষ্পত্তি করার জন্য। কেন নাম বাদ গিয়েছে সে রেকর্ড খতিয়ে দেখুন। কীভাবে বিষয়টি করা হবে তা তাঁরা ঠিক করবেন। নিষ্পত্তির জন্য যে ব্যক্তির নাম বাদ গিয়েছে তাঁর বক্তব্য শোনা হোক। ১৯ ট্রাইবুন্যালে কীভাবে কাজ হবে তা সবটা জানাতে হবে।
প্রাক্তন বিচারপতি বা বিচারকদের দিয়ে একটি কমিটি তৈরি করতে হবে। পুরো পদ্ধতি আগামিকালের মধ্যে প্রধান বিচারপতি ঠিক করবেন।
কলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার কমিশনকে আবেদন করেছে, ট্রাইব্যুনালে পরিকাঠামো কবের মধ্যে ঠিক তৈরি হবে তা জানাতে।
নাইডু বিষয়টি দেখবেন বলেছেন।
প্রাক্তন বিচারপতিদের এবং বিচারকদের অ্যাকাউন্ট নম্বর নিয়ে তাঁদের সাম্মানিক অর্থ দেবে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনকে নোটিফিকেশন ইস্যু করতে হবে আগামিকালের মধ্যে।
কমিশনের আইনজীবী নাইডু: আমরা কলকাতা হাইকোর্টের সঙ্গে কো-অর্ডিনেশন করে সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করব।
প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত: নোডাল অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। যার দায়িত্ব হবে, এই ট্রাইব্যুনালে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকবেন। প্রয়োজনে একাধিক নোডাল অফিসার থাকবেন। যাঁরা যা ডকুমেন্ট জমা দেবেন তার acknowledgement receipt দেবেন।
আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়: ভোটাররা অনলাইনে আবেদন করার প্রশিক্ষণ পাননি। তাঁরা অনেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন না। তাঁদের এসপি-ডিএম-এর অফিসে আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হোক। না হলে তাদের কলকাতায় আসতে হবে যা সম্ভব না।
প্রধান বিচারপতি: ট্রাইব্যুনালে কলকাতায় যেমন আবেদন করা যাবে, তেমন অন্যান্য জায়গা থেকেও ফাইল করা যাবে। ডিএম, এসপি অফিসেও আপিল করা যাবে। তাঁদের acknowledgement receipt দিতে হবে।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত: যদি চেন অফিসাররা আজকের মধ্যে সব আবেদনের নিষ্পত্তি করে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করবেন।
কমিশনের আইনজীবী নাইডু: আজ রাতের মধ্যে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত: প্রত্যেক আবেদনে যেন ডিজিটাল স্বাক্ষর থাকে।
৭ এপ্রিলের মধ্যে পোর্টালে আপলোড করে ডিজিটাল সিগনেচার সহ যেন প্রকাশ করা হয়।
নন্দলাল বসুর নাতির নাম দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দিল কোর্ট। ৯ তারিখের মধ্যে তাঁর আবেদনের নিষ্পত্তি হবে, বলে জানানো হল কমিশনের তরফে। অ্যাপলেট ট্রাইব্যুনালকে সোমবার এই বিষয়ের শুনানি করতে বলা হল। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ এপ্রিল।
