ECI on SIR: বিতর্কের আবহেই ঐক্যবদ্ধ কমিশনের ফুল বেঞ্চ, SIR নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত
Election Commission SIR rules: এসআইআর-এ সশরীরে শুনানি প্রক্রিয়া আর থাকছে না। যাঁদের নামে নোটিস যাবে, বাড়ি গিয়ে তাঁদের নথি নেবেন বিএলও-রা। তাঁদের এইআরও বা ইআরও অফিসে শুনানির জন্য ডাকা হবে না। বিশেষ ক্ষেত্রে ইআরও মনে করলে অনলাইনে শুনানির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের।

নয়া দিল্লি: দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই SIR নিয়মে বড় বদল। সশরীরে শুনানি প্রক্রিয়া এবার তুলে নিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। শনিবার দিল্লিতে বৈঠকে বসে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশীর সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এরপরই একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয় কমিশনের তরফে। সেখানে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এ সশরীরে শুনানি প্রক্রিয়া আর থাকছে না। যাঁদের নামে নোটিস যাবে, বাড়ি গিয়ে তাঁদের নথি নেবেন বিএলও-রা। তাঁদের এইআরও বা ইআরও অফিসে শুনানির জন্য ডাকা হবে না। বিশেষ ক্ষেত্রে ইআরও মনে করলে অনলাইনে শুনানির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের।
জাতীয় নির্বাচন কমিশন একটি বিবৃতি জারি করেছে। কমিশনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলি উঠেছে, তার প্রত্যেকটির আলাদা করে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। অভিযোগ খণ্ডন করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করার চেষ্টা করেছে কমিশন। অন্যতম বড় অভিযোগ ছিল দুই নির্বাচন কমিশনার চিঠি লিখেছিলেন ক্যাবিনেট সেক্রেটারিকে। সেই চিঠিতে মূলত জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাজকর্মের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সংখ্যাগরিষ্ঠতার কথা মানা হচ্ছে না বলে ক্যাবিনেট সেক্রেটারিকে অভিযোগ করেন। তবে একটা প্রশ্ন উঠছিল যে জাতীয় নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক সংস্থা। কেন ক্যাবিনেটে চিঠি গিয়েছিল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। আজ যে বিবৃতি জারি করা হয়েছে, তাতে চিঠির বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
কমিশন জানিয়েছে, ক্যাবিনেট সচিবকে পাঠানো চিঠিটি নির্বাচন কমিশন বা তার IT বিভাগের কোনও নীতিগত বিষয় সংক্রান্ত ছিল না। চিঠিটি ECI-তে ডেপুটেশনে থাকা এক আধিকারিকের কাজের ধরন সংক্রান্ত ছিল। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের জারি করা কাজ পুনর্বণ্টনের নির্দেশ বাস্তবে কার্যকর হয়নি। দুই নির্বাচন কমিশনারের নির্দেশের পর ওই নির্দেশগুলি বাস্তবায়ন করা হয়নি বলে দাবি কমিশনের।
বিস্তারিত আসছে…
