Social Influencer: গর্ভে সাত সপ্তাহের সন্তান, গাছে বেঁধে জীবন্ত আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হল ইনফ্লুয়েন্সারকে
Crime News: গত ৩ জুলাই মনজিতকে জোর করে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে চণ্ডীগড় থেকে মোরিন্দায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মারধর করার পর একটি তুঁত গাছের সঙ্গে বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

চণ্ডীগড়: সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন মনজিৎ কাউর। ইন্সটাগ্রাম হ্যান্ডেলে ফলোয়ারের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। বছর ২৮-এর সেই তরুণীর মর্মান্তিক পরিণতিতে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দিনকয়েক আগে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয় মনজিৎকে। তারপর হাসপাতালে লড়াই চলে কয়েকদিন। গত ২৬ অগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঞ্জিত বিবাহবিচ্ছিন্না ছিলেন। তাঁর সাত বছরের এক ছেলেও রয়েছে। ওই সন্তান বর্তমানে মঞ্জিতের প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে থাকে। ঘটনার তদন্ত বিভিন্ন দিক থেকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। তবে মঞ্জিতের পরিবারের সদস্যরা শেষকৃত্য নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তদন্তে এখনও যোগ দিতে পারেননি।
ঘটনায় মনজিতের মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে চণ্ডীগড় পুলিশ দু’জনকে অভিযুক্ত করেছে। এফআইআরে অভিযুক্তদের নাম সুবি ও পিন্ডা। তাঁদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও খুনের মামলা দায়ের হয়েছে। দু’জনকেই খুঁজে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
অভিযোগ, গত ৩ জুলাই মনজিতকে জোর করে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে চণ্ডীগড় থেকে মোরিন্দায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মারধর করার পর একটি তুঁত গাছের সঙ্গে বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
ঘটনাস্থলে পৌঁছন মনজিতের এক বন্ধু। তিনি কম্বল দিয়ে আগুন নেভানোর পর গুরুতর আহত অবস্থায় মনজিতকে মোরিন্দার একটি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাঁকে মোহালির একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। দীর্ঘদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর ৫ অগস্ট অল্প সময়ের জন্য জ্ঞান ফিরেছিল মনজিতের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২৬ অগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
কেন মনজিতকে অপহরণ করা হয়েছিল, এই ঘটনার পিছনে আসল কারণ কী এবং অভিযুক্তদের ভূমিকা ঠিক কতটা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। চণ্ডীগড় থেকে মোরিন্দা পর্যন্ত সম্ভাব্য যাত্রাপথের সিসিটিভি ফুটেজও পরীক্ষা করা হচ্ছে।
