Indian Army: কাঁধে নিয়ে ছুঁড়লেই ধ্বংস হবে বিপক্ষের ট্যাঙ্ক, ভারতের নয়া আমদানি জ্যাভলিন মিসাইলের বিশেষত্ব জানেন?
Javelin Missile: প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জ্যাভেলিনের ওজন প্রায় ২২.৭ কেজি ও রাডার প্রায় ২.৫ কিলো মিটার। মিসাইলটি ট্যাঙ্কের আর্মার হিসেবে বিশেষভাবে তৈরি। এই মুহূর্তে ভারতের হাতে জ্যাভেলিনের মতো অস্ত্র থাকলে শত্রুপক্ষের ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া গাড়ির মোকাবিলার ক্ষমতা আরও বাড়বে।

নয়াদিল্লি : প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী হতে চলেছে ভারতের সামরিক বাহিনী। গতকাল ভারত ও আমেরিকার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করা হয়েছে। ভারতীয় সেনার জন্য প্রায় ২৯২ কোটি টাকা দিয়ে প্রায় ৬০টি জ্যাভেলিন অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল কিনছে ভারত। অপারেশন সিঁদুর হওয়ার পর যাতে ভারতের আর্মার-এর ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পায়, সেই জন্যই এই চুক্তি করা হয়েছে। শোনা গিয়েছে, এই চুক্তিতে সর্বোচ্চ ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত সরঞ্জাম কেনার অনুমতি আছে। সূত্রের খবর, চলতি অর্থবর্ষের শেষের দিকেই এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ভারতে ডেলিভারি করা হবে।
জ্যাভলিন মিসাইল কী ও এর বিশেষত্ব কী?
এটি আসলে একটি অত্যাধুনিক, কাঁধে করে বহন করার মতো অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল। এর প্রধান কাজ ট্যাঙ্ক ও বিপক্ষের অন্যান্য শক্তিশালী সাঁজোয়া গাড়ি ধ্বংস করা।
বিশেষত্ব –
১) এটি মূলত ‘ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট’ নিয়মে কাজ করে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তুতে লক করার পর মিসাইল নিজেই টার্গেট-এ হিট করে। এটি মূলত ট্যাঙ্কের দুর্বল অংশে আঘাত করে।
২) এটিকে যেকোনও সময় ব্যবহার করা যায়। দিনের পাশাপাশি ইনফ্রারেড প্রযুক্তির সাহায্যে রাতের বেলাতেও এই ট্যাঙ্ক কাজ করে।
৩) এটি যেহেতু পোর্টেবল, তাই একস্থান থেকে সহজেই অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। সেনাবাহিনীর লোকেরা এটি নিজ নিজ প্রয়োজনেই একস্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যেতে পারবেন।
৪) লক্ষ্যবস্তুতে মিসাইল টার্গেট করার পর অপারেটর দ্রুত অবস্থান বদলায় ফলে আরও একটি টার্গেটে এটি দ্রুত ফায়ার করা যায়।
৫) এর মধ্যে রয়েছে ডাইরেক্ট অ্যাটাক মোড, ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী সরাসরি আঘাত করা যায়।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জ্যাভেলিনের ওজন প্রায় ২২.৭ কেজি ও রাডার প্রায় ২.৫ কিলো মিটার। মিসাইলটি ট্যাঙ্কের আর্মার হিসেবে বিশেষভাবে তৈরি। এই মুহূর্তে ভারতের হাতে জ্যাভেলিনের মতো অস্ত্র থাকলে শত্রুপক্ষের ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া গাড়ির মোকাবিলার ক্ষমতা আরও বাড়বে। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকায় দ্রুত নিয়ে যাওয়া যায়, এমন কাঁধে বহনযোগ্য অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক অস্ত্র হিসেবে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
