Sudip Bandyopadhyay: ‘শুভেন্দু না এলে সই করব না’, দিল্লিতে দাঁড়িয়ে সুদীপের মুখে কেন মমতার নাম?
TMC parliamentary party: এখনও পর্যন্ত সই করেননি সুদীপ। তিনি চান শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই তিনি সই করবেন। শনিবার তাঁর সই করার কথা ছিল। তাতে তিনি বলেন, "কাল দুপুর পর্যন্ত শুভেন্দু বলেছিল, ও আসতে পারছে না, আমাকে সই করে দিতে। আমি বলেছিলাম, তুমি আসলেই সই করব। আজ রাতে দেখা হতে পারে।"

নয়া দিল্লি: ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুর এবার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। সংসদীয় দলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই উপদেষ্টা হিসাবে চান সুদীপ। যদিও এখনও পর্যন্ত বিদ্রোহীদের তালিকায় সই করেননি সুদীপ। অন্তত এমনটাই দাবি করছেন তিনি। সুদীপ বলেন, “অধিকাংশ সাংসদ-বিধায়কই চাইছেন দল চলুক, তাঁদের উদ্যোগ। তাঁরা চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা হোন, দলনেত্রীর মতো ভূমিকা নিয়ে থাকুন। ওঁদের আবেদনটা আমাকে স্পর্শ করেছে। তার জন্য আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে, এদের সঙ্গে থাকা যেতে পারে।” কিন্তু ‘লিডারশিপ’ নিয়ে তিনি বলেন, “আমার খুব একটা চাপ নেই। এতে কাকলি প্রথম থেকেই বড় উদ্যোগ নিয়েছে। চর্তুদিক থেকে আমার কাছে যেভাবে প্রেশার আর অনুরোধ আসছে, তাতে আমি খুবই বেসামাল।”
এখনও পর্যন্ত সই করেননি সুদীপ। তিনি চান শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই তিনি সই করবেন। শনিবার তাঁর সই করার কথা ছিল। তাতে তিনি বলেন, “কাল দুপুর পর্যন্ত শুভেন্দু বলেছিল, ও আসতে পারছে না, আমাকে সই করে দিতে। আমি বলেছিলাম, তুমি আসলেই সই করব। আজ রাতে দেখা হতে পারে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিষয়টিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সুদীপ। তাঁর কথায়, সেই বৈঠক ৭ মিনিটের হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ৬০ মিনিটের মাথায় চা আসে। তা ৭০ মিনিটে গড়ায়। অর্থাৎ এই বৈঠক থেকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে, সেটাও বুঝিয়ে দেন সুদীপ।
সুদীপের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যে উপদেষ্টা হিসাবে রাখার আবেদন জানানো হয়েছে তাঁর কাছে, সেটা শুনেই তিনি এসেছেন। ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে রবিবারের বিকালের বৈঠকেও যোগ দিয়েছেন তিনি।
