AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

NCPI: আরও একটা ডেডলাইন পার, ‘কেন সাংসদ পদ খারিজ নয়?’ জবাব দিতে সময় কিনেই চলেছেন সুদীপ-কাকলিরা

TMC Rebel MPs: বাদল অধিবেশন কেটে গেলেও স্পিকার ওই ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ না করার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। সেই মামলায় ওই সাংসদের বিরুদ্ধে নোটিস জারি করে সুপ্রিম কোর্ট। স্পিকারের বক্তব্য ছাড়া নোটিস ইস্যু করা হবে না বলে উল্লেখ করে শীর্ষ আদালত। এরপর স্পিকারও ওই ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠান।

NCPI: আরও একটা ডেডলাইন পার, 'কেন সাংসদ পদ খারিজ নয়?' জবাব দিতে সময় কিনেই চলেছেন সুদীপ-কাকলিরা
এনসিপিআই সাংসদImage Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: Sep 22, 2026 | 10:33 AM
Share

নয়া দিল্লি: আবারও একটা ডেডলাইন শেষ। কিন্তু, স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে সময় কিনেই চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা (Sudip Banerjee)। ৪ মে ভোটের রেজাল্টের পর তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন ২০ জন সাংসদ। এরপরই তৃণমূলত্যাগী সাংসদের পদ খারিজের আবেদন করেন স্পিকারকে চিঠি দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পিকার কোনওরকম ব্যবস্থা না দিলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে নোটিস জারি করে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এরপরই এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব চেয়ে তৃণমূলত্যাগী সাংসদদের নোটিস পাঠান স্পিকার ওম বিড়লা। কিন্তু, এখনও নোটিসের জবাব দিতে পারেননি তাঁরা। উল্টে কখনও এক সপ্তাহ, কখনও তিন সপ্তাহ সময় চেয়ে যাচ্ছেন সুদীপরা। আজ, ২২ সেপ্টেম্বর জবাব দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, এবারও স্পিকারের কাছে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় চাইবেন তাঁরা।

কত সময় চাইলেন স্পিকারের কাছে?

জানা গিয়েছে, স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়ে আর্জি জানাবেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। চিঠিতে তাঁদের অনুরোধ, নোটিসের জবাব দিতে তাঁদের যেন আরও ৪ সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়। অর্থাৎ স্পিকারের কাছে একমাস সময় চেয়েছেন তাঁরা। এর আগে সুদীপদের আর্জিতে সাড়া দিয়ে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন স্পিকার। কিন্তু, এবার সময় দেন কি না, কী পদক্ষেপ করেন ওম বিড়লা, সেদিকেই তাকিয়ে সব মহল।

সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক, স্পিকারের নোটিস

পালবাদলের পর পৃথক পরিচয়ে সংসদীয় পদ গঠন করতে চেয়ে এনসিপিআই পরিচয় নিয়ে লোকসভার স্পিকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন তৃণমূলত্যাগী ২০ জন সাংসদ। বাদল অধিবেশন শুরুর প্রায় এক মাস আগেই তাঁরা এই আবেদন জানিয়েছিলেন। এর ঠিক এক সপ্তাহ পরেই স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সুদীপ-কাকলিদের এই পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ করে ২০ জন সাংসদের নামে ২০টি আলাদা চিঠিও দেন তিনি। আইন অনুযায়ী, ২০ জন সাংসদের সদস্যপদ খারিজের আবেদন করেন।

বাদল অধিবেশন কেটে গেলেও স্পিকার ওই ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ না করার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। সেই মামলায় ওই সাংসদের বিরুদ্ধে নোটিস জারি করে সুপ্রিম কোর্ট। স্পিকারের বক্তব্য ছাড়া নোটিস ইস্যু করা হবে না বলে উল্লেখ করে শীর্ষ আদালত। এরপর স্পিকারও ওই ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠান। সাতদিনের ডেডলাইন দেওয়া হয়েছিল। ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোনও জবাব দেয়নি এনসিপিআই সাংসদরা। উল্টে স্পিকারের কাছ থেকে অতিরিক্ত সময় চান তাঁরা। সেই দাবি মেনেই স্পিকারের অফিস এনসিপিআই সাংসদদের ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিল। তারপরও জবাব দিতে ব্যর্থ হলেন সুদীপ-কাকলিরা।

Follow Us