AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Supreme Court: ‘যান, মায়ের পা ছুঁয়ে প্রণাম করুন, ক্ষমা চান’, সন্তানকে উপদেশ সুপ্রিম কোর্টের

নিম্ন আদালতের নির্দেশে উল্লেখ করা হয় যে ওই সম্পত্তির আসল মালিক মা ও তাঁর স্বামী। তাঁদের অনুমোদন আইনসঙ্গতভাবেই বাতিল করা হয়েছে। অবিলম্বে ফ্লোর খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় দম্পতিকে। দিল্লি হাইকোর্টও সেই নির্দেশ বহাল রাখে। পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ছেলে। সেখানেও আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে।

Supreme Court: 'যান, মায়ের পা ছুঁয়ে প্রণাম করুন, ক্ষমা চান', সন্তানকে উপদেশ সুপ্রিম কোর্টের
Image Credit: AI Generated Image
| Updated on: Sep 12, 2026 | 10:51 PM
Share

নয়া দিল্লি: সন্তান মানে শুধু সম্পত্তির অধিকারী নয়, জন্মদাতা বা জন্মদাত্রীর প্রতি যে তার কিছু কর্তব্যও বর্তায়, কার্যত সেই পাঠই দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সন্তানকে বুঝিয়ে দিল, মায়ের গুরুত্ব কতটা। পর্যবেক্ষণে মায়ের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বললেন বিচারপতিরা।

সম্পত্তি নিয়ে মায়ের সঙ্গে সন্তানের বিবাদ। তার জেরেই মামলা। ছেলের আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছিল হাইকোর্টেই। সেই আবেদনকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। সেখানেও আবেদন খারিজ করে দেয় বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মা ও বিচারপতি কোটিশ্বর সিং-এর বেঞ্চ। সেই সঙ্গে বিচারপতিরা বুঝিয়ে দিয়েছেন আবেদনকারীর উচিৎ মায়ের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া।

জানা গিয়েছে, আবেদনকারীর মা ও তাঁর স্বামী একটি সম্পত্তির মালিক। সেই বাড়ির একটি ফ্লোরে ছেলে ও পুত্রবধূকে থাকার অনুমতি দিয়েছিলেন মা। কোনও ভাড়া নয়, অনুমতিপ্রাপ্ত হিসেবেই থাকতেন ওি দম্পতি। কিন্তু সেখানে থেকে দিনের পর দিন মায়ের উপর অত্যাচার চালাতেন বলে অভিযোগ পুত্রের বিরুদ্ধে। এমনকী ওই সম্পত্তি তাঁদের নামে লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দিতেন বলেও অভিযোগ।

মায়ের অভিযোগ, ভুয়ো নথি দিয়ে তাঁর সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতেন ছেলে। এরপরই ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হন মা। ছেলে ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় এফআইআর। নোটিস দিয়ে তাঁদের ওই বাড়িতে থাকার আইনি অনুমতি বাতিল করে দেওয়া হয়।

নিম্ন আদালতের নির্দেশে উল্লেখ করা হয় যে ওই সম্পত্তির আসল মালিক মা ও তাঁর স্বামী। তাঁদের অনুমোদন আইনসঙ্গতভাবেই বাতিল করা হয়েছে। অবিলম্বে ফ্লোর খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় দম্পতিকে। দিল্লি হাইকোর্টও সেই নির্দেশ বহাল রাখে। পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ছেলে। সেখানেও আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে।

শীর্ষ আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, ভালোবেসেই সন্তানকে থাকার জায়গা দিয়েছিলেন মা, কিন্তু সেই সম্পত্তি দখল করতে ভুয়ো নথি বানান ছেলে। এই কাজকে কখনই প্রশ্রয় দেওয়া যায় না বলে সাফ জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতিদের বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে বলে, “যান মায়ের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে ক্ষমা চেয়ে নিন। নিজের অপরাধের জন্য ক্ষমা চান। মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে আসুন।” ফ্লোর খালি করতে ৬০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে দম্পতিকে, সেই সঙ্গে যে ক্ষতি হয়েছে, তা পূরণও করে দিতে হবে।

Follow Us