AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Madrasah Closed: বাংলার ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসাকে বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার

Kolkata: ২৫২টি মাদ্রাসা মধ্যে অধিকাংশই খারিজি মাদ্রাসা বলে খবর। কলকাতা-সহ ২২ জুলাই মাদ্রাসা নিয়ে সমীক্ষা চালায় রাজ্য। সমীক্ষাটি চালিয়েছিল 'সংখ্যালঘু এবং মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর। তার মধ্যে ২ হাজার ৩৯৬ টি মাদ্রাসায় প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন নেই বলে জানা যাচ্ছে। 

Madrasah Closed: বাংলার ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসাকে বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার
মাদ্রাসা বন্ধImage Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: Sep 12, 2026 | 11:13 PM
Share

কলকাতা: রাজ্যে মাদ্রাসা যাচাইয়ে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। প্রথম দফায় ২৫২ টি মাদ্রাসা বন্ধের নোটিস দিল রাজ্য সরকার (West bengal Goverment)। এবং ১০০ টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হল। ২৫২টি মাদ্রাসা মধ্যে অধিকাংশই খারিজি মাদ্রাসা বলে খবর। কলকাতা-সহ ২২ জুলাই মাদ্রাসা নিয়ে সমীক্ষা চালায় রাজ্য। সমীক্ষাটি চালিয়েছিল ‘সংখ্যালঘু এবং মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর। তার মধ্যে ২ হাজার ৩৯৬ টি মাদ্রাসায় প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন নেই বলে জানা যাচ্ছে।

বস্তুত, স্বীকৃতিহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে উত্তরাখণ্ড সরকারও। ইতিমধ্যেই সেখানে একাধিক মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সে রাজ্যের সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু উত্তরাখণ্ড নয়, এবার বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে।

সম্প্রতি, জেলাশাসকদের একটি নির্দেশিকা পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, অনুমোদিত, অননুমোদিত, নিবন্ধিত, অনিবন্ধিত, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত, বেসরকারি ও সম্প্রদায়-পরিচালিত, সকল প্রকার মাদ্রাসাই এই সমীক্ষার আওতায় থাকবে। বর্তমানে কোন অবস্থায় রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি, কেমন পরিকাঠামো রয়েছে, শিক্ষাক্রম, ছাত্রছাত্রীদের তথ্য-সহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। ‘সংখ্যালঘু এবং মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর’ অভিযান চালিয়ে এরপর অনুমোদনহীন মাদ্রাসাগুলিকে বন্ধ করে দিল রাজ্যের সরকার।

সংলঘু উন্নয়ন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু বলেন, “যাচাইকরণ হয়েছে। কলকাতা সহ ২২টি জেলার সব মাদ্রাসা সংক্রান্ত সব নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। যে সকল মাদ্রাসার অনুমোদন রয়েছে তা সব চালু রয়ছে।” ফুরফুরা শরিফেপ পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী বলেন, “কেন শোকজ করা হবে?কেন বন্ধ করা হবে সেটা আগে বাংলার মানুষকে জানানো হোক। আমরা মানুষের কাছে ভীক্ষা করে এই মাদ্রাসা চালাই। কীসের জন্য এমন করা হল? সরকারি অনুমোদন ছাড়া অনেক ক্লাব আছে, সেগুলো তো সাহায্য করা হয়। আর অনুমোদন নিতেই বা হবে কেন? মাদ্রাসা মানে ধর্মীয় শিক্ষা নয়। এখন এটাই মানুষের মধ্যে ঢুকে গেছে। ওইখানে ধর্মীয় শিক্ষার সঙ্গে সরকারি সিলেবাসও পড়ানো হয়।”

Follow Us