Supreme Court: ‘আমিও ফর্ম ফিল আপ করেছি…’, কেন শুধু পশ্চিমবঙ্গেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি? বড় প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী
SIR Case Hearing: বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, "বিশ্বাসযোগ্যতার অভাবের কারণেই সুপ্রিম কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে।" জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, "স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সুপ্রিম কোর্ট হস্তক্ষেপ করেছে। কোন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে নয়।"

নয়া দিল্লি: ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র জন্য রাজ্যের বহু মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে। ভোটার তালিকায় নাম উঠবে কি না, সেই সংশয়ে দিন কাটাতে হয়েছে। দেশের অন্যান্য রাজ্য, যেখানে এসআইআর হয়েছে, সেখানে এই ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বলে কিছু ছিল না, তাহলে পশ্চিমবঙ্গে কেন? এবার সুপ্রিম কোর্টে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হল নির্বাচন কমিশন। বিচারপতি মনে করিয়ে দিয়েছেন, “কমিশন নিজের বক্তব্য় থেকে সরে এসেছে।”
কমিশনকে বিচারপতি বলেন, “বিহারের থেকে পশ্চিমবঙ্গে আলাদা নিয়ম মেনে এসআইআর হচ্ছে। বিহারের এসআইআর মামলার শুনানিতে বলা হয়েছিল যে ব্যক্তির ২০০২-এর ভোটার তালিকায় নাম আছে, তাকে কোনও নথি দিতে হবে না। আপনারা আপনাদের অবস্থান থেকে সরে গিয়েছেন।”
কমিশনের তরফে আইনজীবী নাইডু বলেন, “যে ব্যক্তির ২০০২ সালের তালিকায় নাম ছিল, সেই ব্যক্তিকে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি একই ব্যক্তি।” এ কথা শুনে বিচারপতি বাগচী বলেন, “আপনি এমন একজনকে বোঝাচ্ছেন, যিনি নিজেও ফর্ম ফিল আপ করেছেন।” বিচারপতি উল্লেখ করেছেন, কোনও ব্যক্তি যে দেশে জন্মেছেন, সে দেশে তাঁর ভোটাধিকার শুধুমাত্র একটা অধিকার নয়, একটা আবেগের বিষয়।
একজন ‘ম্যাপড ভোটার’, যাঁর ২০০২-তে নাম ছিল, তাঁর পাসপোর্ট এবং আধার কার্ড থাকা সত্ত্বেও কোনও কারণ না দেখিয়ে নাম কাটা হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে ভোটার তালিকায় নাম সংযোজনের আবেদন জানিয়ে মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।
এই মামলায় বিচারপতি বাগচী উল্লেখ করেন, “যদি জয়ের মার্জিন ২ শতাংশ হয়, আর ১৫ শতাংশ ম্যাপড ভোটার ভোটই না দিতে পারেন, তাহলে আমাদের বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।” কমিশনের উদ্দেশে বিচারপতি বলেন, “যদি কোনও সচেতন ভোটারের নাম লিস্টে না থাকে, তাহলেও তাঁর কথা ভুলে গেলে চলবে না।”
