AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SC on Electoral Bond: ‘নির্বাচনী বন্ড অসাংবিধানিক’, রায় সুপ্রিম কোর্টের

এ দিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, "নির্বাচনী বন্ড অসাংবিধানিক ও বিধিবহির্ভূত। ইলেকটোরাল বন্ডের ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল ও আর্থিক অনুদানকারীর মধ্যে সুবিধার সম্পর্ক বা কুইড প্রো কিউ ব্যবস্থা তৈরি হতে পারে।"

SC on Electoral Bond: 'নির্বাচনী বন্ড অসাংবিধানিক', রায় সুপ্রিম কোর্টের
নির্বাচনী বন্ড অসাংবিধানিক, জানাল শীর্ষ আদালত।Image Credit: TV9 বাংলা
| Updated on: Feb 15, 2024 | 12:25 PM
Share

নয়া দিল্লি: নির্বাচনী বন্ড অসাংবিধানিক (Unconstitutional), জানাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের তরফে বৃহস্পতিবার পাঁচ বিচারপতির সর্বসম্মতিতে বলা হয়, “রাজনৈতিক দলের ইলেকটোরাল বন্ড বা নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলিকে আর্থিক সাহায্য নাগরিকের তথ্যের অধিকার লঙ্ঘন করে। এই আইন অসাংবিধানিক”। লোকসভা নির্বাচনের আগেই সুপ্রিম কোর্টের এই রায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

এ দিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, “নির্বাচনী বন্ড অসাংবিধানিক ও বিধিবহির্ভূত। ইলেকটোরাল বন্ডের ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল ও আর্থিক অনুদানকারীর মধ্যে সুবিধার সম্পর্ক বা কুইড প্রো কিউ ব্যবস্থা তৈরি হতে পারে। ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে তথ্যের অধিকার আবশ্যক। ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো জরুরি। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে রাজনৈতিক দলগুলিই।”

প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি বিআর গাভাই, বিচারপতি জেবি পার্দিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চের তরফে রায়ে সাফ জানানো হয়, এই প্রকল্পের লক্ষ্য কালো টাকার বিরুদ্ধে লড়াই ও আর্থিক অনুদানকারীর পরিচয় গোপন রাখা হিসাবে তুলে ধরা হলেও, তা কার্যকর নয়। নির্বাচনী বন্ডই কালো টাকা রোখার একমাত্র উপায় নয়।

এ দিন শীর্ষ আদালতের তরফে স্টেট ব্য়াঙ্ক অব ইন্ডিয়াকে ইলেকটোরাল বন্ড বিক্রি বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে ২০১৯ সাল থেকে এতদিন অবধি যে আর্থিক অনুদান সংগ্রহ করেছে রাজনৈতিক দলগুলি, তার বিস্তারিত তথ্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে। আগামী ১৩ মার্চের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে এই তথ্য তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।

রাজনৈতিক দলগুলিকে অর্থ সাহায্যের জন্যই ২০১৮ সালে নির্বাচনী বন্ড বা ইলেকটোরাল বন্ড আনা হয় কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। এই নিয়মে নিয়মে কোনও ব্যক্তি বা কর্পোরেট সংস্থা যদি কোনও রাজনৈতিক দলকে আর্থিক সাহায্য করতো চায়, তবে তারা বন্ড কিনে সংশ্লিষ্ট দলকে দিতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলি সেই বন্ড ভাঙিয়ে নিতে পারবে। কিন্তু কে, কত টাকা বন্ডের মাধ্যমে অনুদান দিচ্ছেন, সেই তথ্য প্রকাশ করা হবে না। ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার, ১ লক্ষ, ১০ লক্ষ ও ১ কোটি টাকা অবধি বন্ড পাওয়া যায় স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ায়।

সরকারের তরফে নির্বাচনী বন্ডের স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল যে নির্বাচনে অবাধে কালো টাকা ঢালা রুখতেই এই নিয়ম চালু করা হয়েছে। যদিও বিরোধীরা এই নিয়মে নির্বাচনে অস্বচ্ছতারই অভিযোগ আনেন। আর্থিক সাহায্যের বিনিময়ে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীরা সরকারের থেকে লাভবান হবে, এই যুক্তিও তুলে ধরা হয়। এ দিন নির্বাচনী বন্ড বৈধ কি না, তারই শুনানি ছিল শীর্ষ আদালতে।

Follow Us