VIRAL VIDEO: গোলাপের পাপড়ি-বেলুন, সিটে লেখা ‘I LOVE YOU’, ট্রেনের কামরা নাকি হানিমুন স্যুইট ধরতে পারবেন না!
Indian Railways: ক্যুপের দরজা খুলতেই দেখা যাচ্ছে, মেঝেতে ছড়ানো গোলাপ ফুলের পাপড়ি। সামনেও হার্ট শেপের পর্দায় সাজানো। দেওয়ালগুলিতেও ফুলের তোড়া দিয়ে সাজানো। সিটে রেলেরই সাদা চাদর পাতা। তার উপরে গোলাপ ফুল দিয়ে সুন্দর করে সাজানো। কামরার ছাদে রঙিন বেলুন লাগানো, সিটের দিকে ব্যানার লাগানো 'আই লাভ ইউ'।

নয়া দিল্লি: ট্রেনের কামরা নাকি হানিমুন স্যুইট, তা ধরতে পারবেন না! সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ভাইরাল একটি ভিডিয়ো, যেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি ট্রেনের ফার্স্ট ক্লাস কামরাকে ফুলসজ্জার ঘরের মতো সাজানো হয়েছে। ট্রেনের মতো গণপরিবহনে কী এমন কিছু করা যায়? এই ভিডিয়ো নজরে আসতেই এবার কড়া পদক্ষেপ রেলের।
ক্যুপের দরজা খুলতেই দেখা যাচ্ছে, মেঝেতে ছড়ানো গোলাপ ফুলের পাপড়ি। সামনেও হার্ট শেপের পর্দায় সাজানো। দেওয়ালগুলিতেও ফুলের তোড়া দিয়ে সাজানো। সিটে রেলেরই সাদা চাদর পাতা। তার উপরে গোলাপ ফুল দিয়ে সুন্দর করে সাজানো। কামরার ছাদে রঙিন বেলুন লাগানো, সিটের দিকে ব্যানার লাগানো ‘আই লাভ ইউ’।
ভিডিয়োটি গত ৬ জুলাইয়ের। মুম্বই সিএসএমটি- বালহারশাহ-নন্দীগ্রাম এক্সপ্রেসের ফার্স্ট ক্লাস এসি কামরাতে এভাবে সাজানো হয়েছিল। কোনও যাত্রী নয়, একটি ইভেন্ট কোম্পানি এসে সাজিয়েছিল। তাদের বক্তব্য, মহারাষ্ট্রের জালানার এক দম্পতি বুকিং করেছিলেন। ওই দম্পতি ঔরঙ্গাবাদ থেকে জালানা ট্রেনে করে এসেছিলেন, সেখান থেকে তারা ট্রেনে ওঠেন। তাদের ট্রেনে ওঠার আগেই ওই কামরা সাজানো হয়েছিল।
A First AC coach has reportedly been decorated with a “honeymoon-style” setup.
The Railway administration must explain: is it’s allowed? @RailMinIndia @RailwaySeva @AshwiniVaishnaw @PMOIndia pic.twitter.com/ofE4AGawJH
— The Nalanda Index (@Nalanda_index) July 7, 2026
এদিকে, এই ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই নেটিজেনরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন যে এভাবে কি ট্রেনের কামরাকে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সাজানো যায়? রেল কর্তৃপক্ষ জবাব দিয়েছে, রেলের কামরা বা ক্যুপ বুক করা যায়। তবে এভাবে বিনা অনুমতিতে কোনও বেসরকারি ডেকোরেটর ট্রেনে ঢুকে কোনও কামরা সাজাতে পারে না। রেল কর্তৃপক্ষ এটিকে গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি হিসাবেই গণ্য করছে এবং বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
এই ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পরই রেলের তরফে ওই ট্রেনের টিটিই (TTE) গিরীশ কুমারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ওই ডেকরেটর সংস্থার বিরুদ্ধেও রেলওয়ে অ্যাক্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিনা অনুমতিতে কামরায় প্রবেশ, বিনা টিকিটে ভ্রমণ ও রেল চত্বরে অনুপ্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে।
