বউয়ের বদলে তার বেস্টফ্রেন্ডের গলায় মালা! চেয়ার ছোড়াছুড়ি দুই পক্ষের মধ্যে, বিয়ের মণ্ডপই হয়ে গেল WWE রিং!
Wedding Chaos: সন্ধেবেলায় পাত্র যখন বিয়ে করতে আসে, তখন সে মত্ত ছিল। অনুষ্ঠানে এসেই সে পাত্রীপক্ষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার শুরু করে। মালাবদলের আগেও বন্ধুদের সঙ্গে বসে মদ্যপান করে অভিযুক্ত। মালা পরাতে গিয়েই বিপত্তি ঘটে।

লখনউ: বিয়ের অনুষ্ঠান নাকি কুস্তির আখাড়া! এ ওকে চেয়ার ছুড়ছে, আরেকজন টেবিল ধরে টান দিচ্ছে। মারপিট, হাতাহাতি বেঁধে ধুন্ধুমার কাণ্ড বিয়ের মণ্ডপে। রাগে মণ্ডপ ছেড়ে চলে গেল কনে। ওদিকে একের পর এক চড় খেয়ে হতভম্ব পাত্র।
কনের গলায় মালা দিতে গিয়েই তাঁর বেস্টফ্রেন্ডের গলায় মালা দিয়ে বসল পাত্র। আর সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ধুন্ধুমার বাঁধল। পাত্রকে চড় মেরে গটগটিয়ে ভিতরে চলে গেল পাত্রী। ওদিকে, মালাবদলে বিভ্রাট নিয়ে বর ও কনে পক্ষের মধ্যে ধুন্ধুমার বেঁধে গেল।
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের বরৈলিতে। বছর একুশের রাধার সঙ্গে বিয়ে হচ্ছিল ২৬ বছর বয়সী রবীন্দ্র কুমারের। তবে পণ নিয়ে শুরু থেকেই দর কষাকষি চলছিল। পুলিশের এফআইআর অনুযায়ী, বিয়ের আগেই আড়াই লক্ষ টাকা পণ দিতে হয়েছিল। এরপর বিয়ের দিন আবার ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। তারপরও পাত্রপক্ষ আরও পণের দাবি করছিল।
সন্ধেবেলায় পাত্র যখন বিয়ে করতে আসে, তখন সে মত্ত ছিল। অনুষ্ঠানে এসেই সে পাত্রীপক্ষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার শুরু করে। মালাবদলের আগেও বন্ধুদের সঙ্গে বসে মদ্যপান করে অভিযুক্ত। মালা পরাতে গিয়েই বিপত্তি ঘটে। কনের বদলে তাঁর পাশে দাঁড়ানো বান্ধবীর গলায় মালা দিয়ে দেয় পাত্র। এতেই বেজায় চটে যায় পাত্রী, চড় মেরে সে মণ্ডপ ছেড়ে চলে যায়।
এরপরই দুই পরিবারের মধ্যে হাতাহাতি, মারপিট বেঁধে যায়। একে অপরকে চেয়ার-টেবিল পর্যন্ত তুলে ছুড়ে মারে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে গেলে, অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরাই পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ভেঙে যায় বিয়েও।

