AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Supreme Court: নির্বাচন কমিশনার বাছাই কমিটিতে কেন প্রধান বিচারপতি থাকবেন না? বড় প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট

Chief Election Commissioner appointment: বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বলেন, "আমি ভাবছিলাম, সিবিআই ডিরেক্টর নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি থাকেন। আমরা বলতে পারি যে আইন-শৃঙ্খলা বা ‘রুল অফ ল’ বজায় রাখার জন্য, কিংবা আইনের বিধান অবধিও ধরা যায়। কিন্তু গণতন্ত্র রক্ষার জন্য থাকতে পারেন না? স্বচ্ছ নির্বাচন করানোর জন্য থাকতে পারেন না?" 

Supreme Court: নির্বাচন কমিশনার বাছাই কমিটিতে কেন প্রধান বিচারপতি থাকবেন না? বড় প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট
ফাইল চিত্র।Image Credit: PTI
| Updated on: May 14, 2026 | 7:19 PM
Share

নয়া দিল্লি: সিবিআই-র ডিরেক্টর বাছাইয়ের কমিটিতে থাকতে পারেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি (CJI), কিন্তু মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের প্যানেলে নয়! এবার সরাসরি প্রশ্ন তুলল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। জানতে চাওয়া হল, ‘গণতন্ত্রের কী হবে?’

জাতীয় নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে একটি মামলার শুনানি চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলার শুনানিতেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বলেন, “আমি ভাবছিলাম, সিবিআই ডিরেক্টর নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি থাকেন। আমরা বলতে পারি যে আইন-শৃঙ্খলা বা ‘রুল অফ ল’ বজায় রাখার জন্য, কিংবা আইনের বিধান অবধিও ধরা যায়। কিন্তু গণতন্ত্র রক্ষার জন্য থাকতে পারেন না? স্বচ্ছ নির্বাচন করানোর জন্য থাকতে পারেন না?

আদালত স্পষ্ট করে জানায়, তারা এ কথা বলছে না যে নির্বাচন কমিশনার বাছাই কমিটিতে অবশ্যই প্রধান বিচারপতিকে রাখতে হবে। তবে প্রশ্ন তুলেছে, কেন সেখানে কোনও স্বাধীন সদস্য রাখা হবে না?

বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বলেন, “আমরা বলছি না যে প্রধান বিচারপতির ওখানে (প্যানেল) থাকা উচিত। কিন্তু সেখানে কি একজন নিরপেক্ষ প্রতিনিধি থাকা উচিত নয়? মন্ত্রীসভা থেকেই কেন প্রতিনিধি থাকবে? আমরা স্পষ্ট করে দিই। আজ প্রধানমন্ত্রী একজনকে বাছাই করলেন, আর বিরোধী দলনেতা অন্য একজনকে বাছাই করলেন। তাহলে মতবিরোধ হবে। তৃতীয় সদস্য কি বিরোধী দলনেতার দিকে যাবেন?”

বিচারপতির এই প্রশ্নের উত্তরে অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামানি বলেন যে তিনি এ বিষয়ে অনুমান করতে চান না।। তিনি বলেন, “বাস্তবে সবসময় তা নাও হতে পারে। আমি আগে থেকে কিছু ধরে নিতে চাই না।”

তখন বিচারপতি দত্ত মন্তব্য করেন, “তাহলে তো পুরো বিষয়টাই কার্যত নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে।”

সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে আরও জানায়, বাস্তবে এই ধরনের নিয়োগে সিদ্ধান্ত ২:১ ভোট হয়ে যাবে এবং মন্ত্রিসভার সদস্য প্রধানমন্ত্রী থেকে আলাদা মত নেবেন, এমন সম্ভাবনা খুবই কম।

আদালত জানায়, “প্রাথমিকভাবে যে বিষয়টি আমাদের ভাবাচ্ছে, তা হল কেন এখানে কার্যত নির্বাহী বিভাগের ভেটো থাকবে? সংসদের আইন তৈরির ক্ষমতা রয়েছে ঠিকই, কিন্তু সুপ্রিম কোর্টই চূড়ান্ত ব্যাখ্যাকারী। আপনারা পছন্দ করুন বা না করুন, আইন ব্যাখ্যার শেষ ক্ষমতা আদালতের হাতেই থাকবে।”

Follow Us