Cyber fraud: হোয়াটসঅ্যাপে স্টক মার্কেটে অ্যাকাউন্ট খুলতে গিয়ে ‘হাওয়া’ ২ কোটি টাকা, তদন্তে নামল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম পুলিশ
Cyber fraud in Bidhannagar: তাঁদের অ্যাকাউন্ট সেবি অনুমোদিত বলে জানিয়েছিলেন প্রতারকরা। এরপর ধীরে ধীরে ওই প্রতারকরা তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেন। তারপরই ওই প্রৌঢ় ট্রেডিং অ্যাকাউন্টে ২ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা জমা করেন। ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত দফায় দফায় ২ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করেন তিনি।

বিধাননগর: হোয়াটসঅ্যাপে ট্রেডিং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে স্টক মার্কেটে বিনিয়োগ করে প্রচুর মুনাফা লাভের প্রলোভন। আর সেই প্রলোভনে পা দিয়ে সর্বস্বান্ত হলেন বিধাননগরের এক প্রৌঢ়। ২ কোটি টাকার বেশি ‘হাওয়া’ হয়ে গেল তাঁর। সাইবার প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। ঘটনার তদন্তে নেমে হাওড়ার ডোমজুড় থেকে মহম্মদ আমন আলম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম পুলিশ।
গত ৪ ফেব্রুয়ারি বিধাননগর সাইবার ক্রাইম শাখায় প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন নিউটাউনের গৌরাঙ্গনগরের বাসিন্দা ওই প্রৌঢ়। তিনি বলেন, হোয়াটসঅ্যাপে ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট খুলে স্টক মার্কেটে বিনিয়োগের জন্য তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন ২ জন। হোয়াটসঅ্যাপে ট্রেডিং অ্যাপে স্টক কেনাবেচা, তহবিল জমা, তহবিল তোলা-সহ লেনদেনের যাবতীয় তথ্যের বিবরণ দেওয়া হয়েছিল। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন শেয়ার কেনার জন্য আবেদন জানানো হত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে। তাঁদের অ্যাকাউন্ট সেবি অনুমোদিত বলে জানিয়েছিলেন প্রতারকরা। এরপর ধীরে ধীরে ওই প্রতারকরা তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেন। তারপরই ওই প্রৌঢ় ট্রেডিং অ্যাকাউন্টে ২ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা জমা করেন। ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত দফায় দফায় ২ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করেন তিনি।
এরপর টাকা ফেরত নিতে গিয়েই সমস্যায় পড়েন ওই প্রৌঢ়। প্রতারকরা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে টাকা ফেরত দিচ্ছিলেন না। তখন বছর তেষট্টির ওই প্রৌঢ় বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তারপরই অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ হাওড়া ডোমজুড় থানা এলাকা থেকে বছর ছেচল্লিশের মহম্মদ আমন আলমকে গ্রেফতার করে। এদিন ধৃতকে বিধাননগর আদালতে তুলে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানায় বিধাননগর সাইবার ক্রাইমের পুলিশ। এদিন আদালতে তোলার সময় তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেন আমন আলম। তিনি দাবি করেন, এই প্রতারণার বিষয়ে কিছু জানেন না। তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি কিছু পাননি।
