AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mamata on EC: ‘ডিয়ার মিস্টার জ্ঞানেশ কুমার’ লিখে শুরু চিঠি, তারপরই মমতা নির্বাচন কমিশনারকে যা যা বললেন….

Nabanna: মমতা মনে করিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে এই সময় নতুন করে প্রশাসনিক কর্তা নিয়োগ করা হয়। তিনি লিখেছেন, রাজ্য সরকারকে তিনজন কর্মকর্তার একটি প্যানেল তৈরি করার জন্য নির্বাচন কমিশন বলত। সেখান থেকে একজনকে বেছে নেওয়া হত। তবে এ ক্ষেত্রে কিছুই করেনি কমিশন।

Mamata on EC: 'ডিয়ার মিস্টার জ্ঞানেশ কুমার' লিখে  শুরু চিঠি, তারপরই মমতা নির্বাচন কমিশনারকে যা যা বললেন....
জ্ঞানেশ কুমার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়Image Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: Mar 16, 2026 | 11:44 PM
Share

কলকাতা: ভোটের আগে একধাক্কায় প্রশাসন-পুলিশের শীর্ষ পদে রদবদল। যা নিয়ে সরব হয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এই নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্যানেল ছাড়াই কীভাবে নতুন অফিসারদের বসানো হয়েছে, তা নিয়ে তোলা হয়েছে প্রশ্ন।

সংশ্লিষ্ঠ চিঠিতে কমিশনারকে ডিয়ার মিস্টার জ্ঞানেশ কুমার বলে উল্লেখ করেছেন মমতা। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “আমি অত্যন্ত বাধ্য হয়ে এই চিঠি লিখছি। এই নির্দেশে রাজ্য প্রশাসনের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বদলি এবং একতরফাভাবে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” মুখ্য সচিব, সচিব (স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক), পুলিশ ডিরেক্টর জেনারেল ও ইন্সপেক্টর জেনারেল এবং রাজ্য প্রশাসনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মীদের যে সরানো হয়েছে সে কথা উল্লেখ রয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, যে সকল আমলাদের সরানো হল, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ধরনের অভিযোগ নেই। তারপরও কেন এই সিদ্ধান্ত? তিনি লেখেন, “এই ধরনের বদলি কোনও জোরালো কারণ ছাড়াই করা হয়েছে এবং নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনও আইন লঙ্ঘণ, অসদাচরণ বা গাফিলতির অভিযোগ ছাড়াই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।” ​ দেশের আইন উল্লেখ করে তিনি এও লিখেছেন, “ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ এবং ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১৩সিসি (13CC) ধারা ও ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২৮এ (28A) ধারা অনুযায়ী—নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত প্রশাসনিক কর্তারা ভোটের সময় নির্বাচন কমিশনের অধীনে কাজ করে থাকেন। নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত হন তাঁরা। তাঁদের বদলি এই সময় কমিশনের উপরই ন্যস্ত থাকে। তবে সবটাই রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে তবেই করা হয়ে থাকে।

মমতা মনে করিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে এই সময় নতুন করে প্রশাসনিক কর্তা নিয়োগ করা হয়। তিনি লিখেছেন, রাজ্য সরকারকে তিনজন কর্মকর্তার একটি প্যানেল তৈরি করার জন্য নির্বাচন কমিশন বলত। সেখান থেকে একজনকে বেছে নেওয়া হত। তবে এ ক্ষেত্রে কিছুই করেনি কমিশন।

আজ ধর্মতলার র‌্যালি থেকেও কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখান থেকে তিনি বলেন, “নন্দিনী সিএস। বাঙালি মহিলা। ওঁরা শুধু বাংলা বিদ্বেষী নয়, হিন্দু বিদ্বেষীও। হিন্দি বিদ্বেষীও। আমি প্রমাণ করে দিচ্ছি। আপনারা নন্দিনীকে মধ্যরাতে তাণ্ডব করে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিলেন। একবার রাজ্যকে জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন মনে করলেন না? বিজেপির দালালি করতে গিয়ে। ধিক আপনাদের।”

Follow Us