Youth arrested: ‘বিধানসভার টিকিট পাইয়ে দেব’, IPAC-র নাম করে ফোন, পুলিশ তদন্তে নামতেই ফাঁস হল সব
West Bengal assembly election: বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই তৃণমূল নেতা। ঘটনার তদন্তে নামে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় রত্নদীপকে। পুলিশ জানিয়েছে, BCA পাশ করেছেন ধৃত যুবক। ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

কলকাতা: দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। রণকৌশল তৈরিতে ব্যস্ত সব দল। কারা টিকিট পাবেন, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এরই মধ্যে তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের (IPAC) নাম করে প্রতারণার অভিযোগ। বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে কয়েক লক্ষ টাকা প্রতারণা করা হল। অভিযোগ পেয়ে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ গ্রেফতার করল এক যুবককে। ধৃতের নাম রত্নদীপ মাহাতো।
পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত যুবক পুরুলিয়ার বাসিন্দা। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর আসনে টিকিট পাইয়ে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতাকে তিনি ফোন করেন।আইপ্যাকের তরফে ফোন করছেন বলে জানান। টিকিটের জন্য ওই তৃণমূল নেতার কাছ থেকে প্রথমে এক কোটি টাকা দাবি করেন। অগ্রিম হিসেবে কয়েক লক্ষ টাকাও নেন। পরে কিছু স্ক্রিনশট পাঠান।
এরপর বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই তৃণমূল নেতা। ঘটনার তদন্তে নামে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় রত্নদীপকে। পুলিশ জানিয়েছে, BCA পাশ করেছেন ধৃত যুবক। ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। এই ধরনের প্রতারণা চক্রে তাঁর সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে।
বাংলায় ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা না হলেও রাজনৈতিক দলগুলি পুরোদমে ময়দানে নেমে পড়েছে। তার সঙ্গে বাড়ছে প্রার্থীদের নাম নিয়ে জল্পনা। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকে তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা হিসেবে কাজ করছে আইপ্যাক। এই ঘটনায় আইপ্যাকের তরফে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তৃণমূলের বক্তব্য, এভাবে তাদের দলে টিকিট পাওয়া যায় না।
