Abhishek Banerjee on SIR: ডিইও-দের ‘লগ-ইন চাইছে’ মাইক্রো অবজার্ভাররা, আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি অভিষেকের
SIR in Bengal: কমিশনের এই বিবৃতিতে ভোটারকে শুনানিকেন্দ্রে সশরীরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে নির্দেশকে চ্য়ালেঞ্জ করে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডায়মণ্ড হারবারের সাংসদ। তাঁর দাবি, যাঁরা সশরীরে যেতে পারবেন না, তারা অথোরাইজেশন লেটার দেবেন। যারা যেতে পারবেন বিএলএ-২ কে নিয়ে যাবেন।

কলকাতা: রাজ্য়ের একাধিক ভোটারকেই যুক্তিসঙ্গত গরমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নোটিস পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সুপ্রিম-নির্দেশ মেনে সেই নোটিস টাঙায়নি তারা। মানা হচ্ছে না অন্য় সকল নির্দেশও। শনিবার মেগা ভার্চুয়াল বৈঠকে কমিশনের বিরুদ্ধে এই সকল অভিযোগগুলিই তুলে ধরেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অভিষেকের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের এক লক্ষেরও বেশি তৃণমূল নেতা-কর্মী। যাদের মধ্য়ে রয়েছেন বিএলএ-২ বা বুথ লেভেল এজেন্টরাও। ছিলেন বিধায়ক, পঞ্চায়েত ও পুরসভা স্তরের কর্মীরাও। এই বৈঠক থেকেই সুপ্রিম নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ তোলেন অভিষেক। পাশাপাশি, কমিশনের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়া হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
সূত্রের খবর, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর নির্বাচন কমিশন যে বিবৃতি জারি করেছে, তা নিয়ে তীব্র আপত্তি তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের। অভিষেকের উল্লেখিত, কমিশনের এই বিবৃতিতে ভোটারকে শুনানিকেন্দ্রে সশরীরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে নির্দেশকে চ্য়ালেঞ্জ করে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডায়মণ্ড হারবারের সাংসদ। তাঁর দাবি, যাঁরা সশরীরে যেতে পারবেন না, তারা অথোরাইজেশন লেটার দেবেন। যারা যেতে পারবেন বিএলএ-২ কে নিয়ে যাবেন।
উল্লেখ্য, শেষ এসআইআর শুনানিতে বড় জয় লাভ করেছে তৃণমূল। শনির মতোই একটি মেগা ভার্চুয়াল বৈঠক থেকে শুনানিকেন্দ্রে বিএলএ-২-দের উপস্থিতির হয়ে সওয়াল করেছিলেন অভিষেক। পরবর্তীতে এসআইআর মামলায় জুড়ে গিয়েছিল সেই দাবি। গত ১৯ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, যে সব ভোটাররা শুনানিতে ডাক পাচ্ছেন, তাঁরা তাঁদের পক্ষ থেকে শুনানিতে সওয়াল করার জন্য কারও সাহায্য নিতে পারেন। এক্ষেত্রে আত্মীয়, বন্ধু, প্রতিবেশীদের, এমনকি বিএলএ-দেরও সাহায্য নেওয়া যেতে পারে বলেই পর্যবেক্ষণ শীর্ষ আদালতের। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে স্বাক্ষর অথবা টিপসই (thumb mark) দিয়ে চিঠি-সহ অথরাইজেশন করতে হবে। অর্থাৎ অথরাইজেশন থাকলে, বিএলএ কোনও ভোটারের হয়ে হাজির হতে পারবেন হিয়ারিং-এ।
শুধু তা-ই নয়, তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের অভিযোগ, বাংলায় আগত মাইক্রো অবজার্ভাররা জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা বা ডিইও-দের কমিশনের অ্যাপের লগ-ইন চাইছেন। ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে তাঁদের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে। এই নিয়ে প্রমাণ-পত্র নিয়ে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অভিষেক।
