ECI: প্রতি বুথে কড়া নজরদারি, কী ব্যবস্থা নিচ্ছে কমিশন?
West Bengal assembly election 2026: বিভিন্ন নির্বাচনে বাংলায় বুথ দখল, ছাপ্পার অভিযোগ ওঠে। শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হয় বিরোধীরা। এবারও বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে থেকেই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একাধিক দাবি জানাতে থাকে বিরোধীরা। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে বাংলা সফরে এসেছিল কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সেখানেও নিজেদের উদ্বেগের কথা জানায় রাজনৈতিক দলগুলি।

কলকাতা: বাংলায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবরকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে। গত ১৫ মার্চ ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেই একথা জানিয়ে দেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলার একটি বুথেও নজরদারিতে হালকা মনোভাব দেখাচ্ছে না কমিশন। রাজ্যজুড়ে ৮০ হাজার ৭১৯ বুথের ভিতর ও বাইরে মিলে ২ লাখ সিসিটিভি, ওয়েবক্যাম থাকবে। থাকবেন কেন্দ্রীয় বাহিনী দুই লাখের মতো জওয়ান। সিসিটিভি আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে এবার ভোট হবে বাংলায়।
বিভিন্ন নির্বাচনে বাংলায় বুথ দখল, ছাপ্পার অভিযোগ ওঠে। শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হয় বিরোধীরা। এবারও বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে থেকেই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একাধিক দাবি জানাতে থাকে বিরোধীরা। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে বাংলা সফরে এসেছিল কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সেখানেও নিজেদের উদ্বেগের কথা জানায় রাজনৈতিক দলগুলি।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে আট দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল। এবার ২ দফায় ভোটগ্রহণ হবে। ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল। আর ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার সময়ই জ্ঞানেশ কুমার জানিয়ে দেন, নির্বিঘ্নে ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সবরকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে। ভোট ঘোষণার কয়েকঘণ্টা পরই রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে বদলে দেয় কমিশন। তারপর রাজ্য পুলিশের ডিজিপি-সহ একাধিক আমলা ও আইপিএস-কে বদলি করে।
আবার ভোট ঘোষণার আগে থেকে রাজ্যে এসে পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রায় ২ লাখ জওয়ান থাকবেন। স্পর্শকাতর ও প্রত্যন্ত এলাকার বুথগুলিতে বাড়তি নজরদারির পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন। স্পর্শকাতর ও প্রত্যন্ত এলাকার নজরদারিতে এবার ৩৬০ ডিগ্রি মুভিং রোবট ব্যবহার করা হতে পারে।
