Assembly By Election: উপনির্বাচনে তৃণমূলের আস্থা ‘হেরো’ কৃষ্ণ-মুকুটের উপর, বড় চমক মমতার মেয়ে
Assembly By Election: এই প্রার্থী তালিকায় মধুপর্ণা ঠাকুরের নাম বাদ দিয়ে প্রত্যেকের নাম নিয়েই প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। সেক্ষেত্রে প্রার্থী তালিকায় মধুপর্ণার নাম সত্যিই চমক। তবে কৃষ্ণ কল্যাণী ও মুকুটমণি বিজেপি বিধায়ক ছিলেন নিজ নিজ কেন্দ্রে। সেখান থেকে তাঁরা তৃণমূলে যোগ দেন।

কলকাতা: আগামী এক মাসের মধ্যেই রাজ্যের চার বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন। চার বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল তৃণমূল। রায়গঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী। রানাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্রের উপনির্বাচনের প্রার্থী হলেন মুকুটমণি অধিকারী, মানিকতলা কেন্দ্রের প্রার্থী সাধন পাণ্ডের স্ত্রী সুপ্তি পাণ্ডে, বাগদা উপনির্বাচনে প্রার্থী হলেন মধুপর্ণা ঠাকুর।
উল্লেখ্য, এই প্রার্থী তালিকায় মধুপর্ণা ঠাকুরের নাম বাদে প্রত্যেকের নাম নিয়েই প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। সেক্ষেত্রে প্রার্থী তালিকায় মধুপর্ণার নাম সত্যিই চমক। তবে কৃষ্ণ কল্যাণী ও মুকুটমণি বিজেপি বিধায়ক ছিলেন নিজ নিজ কেন্দ্রে। সেখান থেকে তাঁরা তৃণমূলে যোগ দেন। তারপরও রায়গঞ্জ ও রানাঘাট দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রে লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে গিয়েছিলেন।
সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে কৃষ্ণ কল্যাণী পরাজিত হন ৪৬,৭৩৯ ভোটের ব্যবধানে। মুকুটমণি হারেন ৩৬,৯৩৬ ভোটে। রায়গঞ্জ এবং রানাঘাট দুটি লোকসভায় তৃণমূল হারে। তারপরও বিধানসভা উপনির্বাচনে এই দুই প্রার্থীর ওপরেই ফের আস্থা রেখেছে তৃণমূল। তবে এবারের টিকিট পেয়ে মুকুটমণি বললেন, ” আমি দলের কাছে কৃতজ্ঞ। অবশ্যই ভাল লাগছে। লড়াই আমরা সকলে মিলে করব। রানাঘাট দক্ষিণে তৃণমূলেরই জয় হবে।”
তবে উপনির্বাচনের প্রার্থী তালিকায় নয়া চমক হলেন মধুপর্ণা ঠাকুর। কপিল কৃষ্ণ ঠাকুর ও মমতা বালা ঠাকুরের কন্যা কিছুদিন আগেই খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন ঠাকুরবাড়িতে অনশনে বসে। বড়মার ঘরের তালা ভেঙে ঢোকার অভিযোগ ওঠে শান্তনু ঠাকুর বিরুদ্ধে। তাঁদেরকে ঘর থেকে বার করে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে। এরপর পৈত্রিক সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার দাবিতে ঠাকুরবাড়িতে অনশনে বসেছিলেন মধুপর্ণা। এবারের বনগাঁ লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন শান্তনু ঠাকুর। আর সেই পরিবারেরই আরেক সদস্য মধুপর্ণা উপনির্বাচনে প্রার্থী করে চমক দিয়েছে তৃণমূল। লোকসভা নির্বাচনে বিশ্বজিৎ দাসকে বাজি রেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মানুষ মুখ ফিরিয়েছে। মতুয়া ভোট ব্যাঙ্ককে ফিরে পেতে মধুপর্ণার ওপরেই ভরসা রাখছে তৃণমূল। টিকিট পেয়ে মধুপর্ণা বলছেন, “দাদুর আমল থেকে এটা চলে আসছে। রাজনীতি আমাদের ধমনীতে। আমার মা একজন রাজ্যসভার সাংসদ। মা আমার শক্তি। মাকে দেখেই রাজনীতিতে নামা।”
অন্যদিকে, মানিকতলায় সাধন পাণ্ডের স্ত্রী সুপ্তির ওপরই ভরসা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মানিকতলার ভোট সামলাতে আসরে নেমেছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে সুপ্তির কাছে এটা মস্ত বড় একটা চ্যালেঞ্জ।
