Ayushman Bharat: স্বাস্থ্যসাথী নাকি আয়ুষ্মান? হাসপাতালে গেলে কোন চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন রোগী? জানিয়ে দিল স্বাস্থ্য দফতর
Ayushman Bharat-Swasthya Sathi News: আয়ুষ্মান কার্ড থাকা সত্ত্বেও PM-JAY পোর্টালে কোনও প্রযুক্তিগত বা অন্য সমস্যা দেখা দিলে রোগীর চিকিৎসা যাতে আটকে না যায়, তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে হাসপাতালকে ‘Facing issue in PM-JAY TMS’ অপশনটি বেছে নিতে হবে। এরপর স্বাস্থ্যসাথী ট্রিটমেন্ট কনসেন্ট নামে একটি পপ-আপ খুলবে।

কলকাতা: স্বাস্থ্যক্ষেত্রে আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) প্রকল্পে ৫ লক্ষ টাকা ক্যাশলেস পরিষেবা পাবেন রাজ্যবাসী। মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনাতেও (MMSBY) একই সুবিধা মিলবে। এদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় (Sharadwat Mukherjee) জানিয়ে দিয়েছেন স্বাস্থ্যসাথী (Swasthya Sathi Card) কার্ডের পরিষেবাও আপাতত চালু রাখা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে একটা প্রশ্ন উঠছে, রোগী হাসপাতালে গিয়ে কোন বিমার আওতায় পরিষেবা পাবেন? এই বিভ্রান্তি কাটাতে একটি নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য দফতর। সেখানে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কীভাবে কোন স্বাস্থ্যবিমাতে পরিষেবা পাবেন?
নতুন নিয়মে কী বলা হয়েছে?
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনও রোগীর আয়ুষ্মান কার্ড ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেলে তাঁর চিকিৎসা হবে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের অধীনেই। এসওপি অনুযায়ী, নতুন রোগীর রেজিস্ট্রেশনের সময় স্বাস্থ্যসাথী TMS পোর্টাল আইডিতে আধারের তথ্য যাচাই করা হবে। আধার নম্বরটি PM-JAY-এর কার্ড প্রিন্টিং ডেটাবেসে পাওয়া গেলে স্ক্রিনে গ্রিন সিগন্যাল পাওয়া যাবে। অর্থাৎ, ওই ব্যক্তি পশ্চিমবঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা-র সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। পাশাপাশি আয়ুষ্মান কার্ড ডাউনলোড করার লিঙ্কও থাকবে। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ‘Proceed to PMJAY TMS’ অপশন বেছে নিয়ে PM-JAY পোর্টালের মাধ্যমে রোগীর চিকিৎসার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। অর্থাৎ আয়ুষ্মান কার্ড থাকলে ওই রোগীর চিকিৎসা সরাসরি স্বাস্থ্যসাথী থেকে আয়ুষ্মানে ট্রান্সফার হয়ে যাবে।
PM-JAY পোর্টালে সমস্যা থাকলে কী হবে?
আয়ুষ্মান কার্ড থাকা সত্ত্বেও PM-JAY পোর্টালে কোনও প্রযুক্তিগত বা অন্য সমস্যা দেখা দিলে রোগীর চিকিৎসা যাতে আটকে না যায়, তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে হাসপাতালকে ‘Facing issue in PM-JAY TMS’ অপশনটি বেছে নিতে হবে। এরপর স্বাস্থ্যসাথী ট্রিটমেন্ট কনসেন্ট নামে একটি পপ-আপ খুলবে। সেখানে কী সমস্যা হয়েছে, তার বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে সমস্যার প্রমাণ হিসাবে সংশ্লিষ্ট স্ক্রিনশটও আপলোড করতে হবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।
এই তথ্য জমা দেওয়ার পর প্রসিড টু স্বাস্থ্যসাথী ট্রিটমেন্ট অপশন চালু হবে। তখন স্বাস্থ্যসাথীর স্বাভাবিক রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে রোগীর চিকিৎসা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে। অর্থাৎ, PM-JAY পোর্টালে প্রকৃত সমস্যা থাকলে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ নথিভুক্ত করে স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় চিকিৎসা চালানো যাবে।
e-KYC নিয়ে সমস্যা
কোনও সুবিধাভোগীর নাম ন্যাশনাল ফুড সিকিউরিটি অ্যাক্ট বা NFSA ডেটাবেসে রয়েছে এবং PM-JAY-এর জন্য e-KYC সম্পন্ন হয়েছে, কিন্তু কার্ড এখনও অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এমন ক্ষেত্রে হাসপাতালকে স্বাস্থ্যসাথীর অধীনেই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে, NFSA ডেটাবেসে নাম থাকলেও e-KYC সম্পন্ন না হলে আগে PM-JAY পোর্টালে e-KYC করার চেষ্টা করতে হবে। ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সি সুবিধাভোগীদের ক্ষেত্রে VVS রেজিস্ট্রেশনও করতে হবে। সেই প্রক্রিয়ার পর স্বাস্থ্যসাথীর অধীনে চিকিৎসা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে।
এদিকে, নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যসাথী বা আয়ুষ্মান কার্ড না থাকলে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনাতেও মিলবে সুবিধা। হাসপাতাল থেকেই দেওয়া হবে আবেদনপত্র।
