নতুন নাটক! NCPI নয়, এবার কাকলির নেতৃত্বে জন্ম নিচ্ছে বহুজন NCPI?
Bahujan NCPI: এবার জন্ম নিচ্ছে বহুজন এনসিপিআই! এই দলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। দলিত, মুসলিম, জনজাতি-উপজাতি, ওবিসি মানুষদের যোগদানের আহ্বান জানানো হয়েছে বহুজন এনসিপিআই-তে। ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছে যোগাযোগের জন্য।

চলতি বছরেই বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর ভেঙে টুকরো টুকরো হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের ২০ জন লোকসভার সাংসদ রাতারাতি বিদ্রোহ ঘোষণা করে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে আলাদা শিবির গড়েন। এরপরে তারা যোগ দেন এনসিপিআই-তে। এখনও সেই দল মান্যতা পায়নি সংসদে। বিদ্রোহী সাংসদদের নামের পাশে তৃণমূল কংগ্রেসই লেখা হচ্ছে। এবার সেই দলের অন্দরেও কি বিদ্রোহের মেঘ জমল?
এনসিপিআই নয়, শোনা যাচ্ছে বহুজন এনসিপিআই-র নাম! এই দলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। দলিত, মুসলিম, জনজাতি-উপজাতি, ওবিসি মানুষদের যোগদানের আহ্বান জানানো হয়েছে বহুজন এনসিপিআই-তে। ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছে যোগাযোগের জন্য। পোস্টে জানানো হয়েছে, দলীয় সমস্ত পদে দলিত, অতি অনগ্রসর শ্রেণি, মহাদলিত, মতুয়া ও নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের জন্য ২৫ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যদিও এই বিষয় নিয়ে কাকলি পুত্রের ব্যাখ্যা, এটা আলাদা নয়। বরং বলা ভালো, দলের একটি উইং বা শাখা কিংবা ট্রাস্ট। এই শাখা আদিবাসী, মুসলিম, তফসিলি উপজাতি, দলিতদের জন্য কাজ করবে। তাদের কম্পিউটার দেওয়া থেকে শুরু করে সমাজসেবামূলক কাজ করবে। তবে প্রশ্ন উঠছে, ট্রাস্ট বা একজন সাংসদ ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করতেই পারেন, কিন্তু বহুজন এনসিপিআই পার্টি বলে যে পোস্ট করা হচ্ছে, তাহলে কি এনসিপিআই-র ভিতরে মতানৈক্য তৈরি হয়েছে?
কাকলি ঘোষ দস্তিদার এই পোস্টের প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, “আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া সেল থেকেই এটা পোস্ট করা হয়েছে। নতুন দলে আমরা ২০ জন সাংসদ গত অধিবেশনেও কাজ করেছি এবং আগামিদিনেও কাজ করব। ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া সবাইকে নিয়ে চলবে। বিশেষ করে যারা সমাজে পিছিয়ে পড়া শ্রেণি, দলিত সম্প্রদায়, দলিত, মহিলা ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল মানুষদের নিয়ে চলবে।”
উল্লেখ্য, তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন এই ২০ জন সাংসদ। বর্তমানে তারা এনসিপিআই নামক একটি দলে যোগ দিলেও, জনমানসে সেই দল বিশেষ কোনও প্রভাব ফেলতে পারেনি। দলটি এখনও মান্যতাও পায়নি সংসদে। এই আবহে কি নতুন নামে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে এনসিপিআই? এই প্রশ্নই উঠছে বৈদ্যনাথের পোস্ট দেখে। তবে এনসিপিআই মান্যতা না পেলে, বহুজন এনসিপিআই কীভাবে মান্যতা পাবে, তা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।
