Calcutta High Court on Galiff street: ‘এই ভাবে রাস্তায় হকারি করতে দিতে পারছি না’, বড় মন্তব্য কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির
Galiff street Pet Market: প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বলে, কুকুরের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। কেন্দ্রীয় সরকারের আইন আছে। হাইকোর্টের এও পর্যবেক্ষণ, 'স্টেট অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার' বোর্ড আছে। তাদের থেকে প্রতি কুকুর বিড়ালের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। কেউ সেই রেজিস্ট্রি করায় না।

কলকাতা: লাইসেন্স ছাড়া কোনও পশুপাখি বিক্রি করা যাবে না। স্পষ্ট নির্দেশ প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের। লাইসেন্স কোন ব্যবসায়ীদের রয়েছে, সেই সব রিপোর্ট দেওয়ারও নির্দেশ হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। অর্থাৎ বন্য প্রাণী সারাক্ষণ আইন মেনেই গ্যালিফ স্ট্রিটের ফুটপাথে ব্যবসা করা যাবে।
এ দিন, প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিতে গিয়ে শহরের ফুটপাথ বেদখল হওয়া নিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা জানান। তাঁর পর্যবেক্ষণ, “কলকাতায় এখন কী চলছে! ফুটপাথ পথচারীর নেই। সেখানে দখল করে দোকান চলছে। গাড়ি রাখা হচ্ছে। নাগরিক রাস্তা দিয়ে চলছে। এটাই এখন এই শহরের পথের হাল। ফলে এই ভাবে রাস্তায় হকারি করতে দিতে পারছি না। আইনে নিষিদ্ধ, এমন কোনও পশুপাখি জীব জন্তু রাস্তায় বিক্রি করা যাবে না। যাঁরা নিজেদের বৈধ ব্যবসায়ী দাবি করছেন, তারা যাবতীয় নথিপত্র পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেখিয়ে তারা সন্তুষ্ট হলেই বিক্রির সুযোগ পাবেন।”
আদালতের আরও বক্তব্য, গোটা দেশেই প্রথমে রাস্তার ধারে ঝুপড়ি করে বসবাস। প্রথমে হুকিং করে বিদ্যুৎ নেয়। কিছুদিন পরে বৈধ বিদ্যুতের আবেদন করে কারেন্ট নেয়। সেটা কি বৈধ বসবাসের জায়গা হয়ে যায়? কলকাতায় এটা বহু জায়গায় হচ্ছে।
এদিন শুনানিতে বলা হয়, ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে কলকাতা পুরসভা চিহ্নিত করে দেওয়া জায়গায় সপ্তাহে একদিন বসেন। রঙিন মাছ, কুকুর বিক্রি এই আইনের আওতায় নেই। শুধু এই নয়, ইনডোর, আউট ডোর প্ল্যান্ট ও বিক্রি করা হয় সেখানে। সব বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।
প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বলে, কুকুরের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। কেন্দ্রীয় সরকারের আইন আছে। হাইকোর্টের এও পর্যবেক্ষণ, ‘স্টেট অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার’ বোর্ড আছে। তাদের থেকে প্রতি কুকুর বিড়ালের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। কেউ সেই রেজিস্ট্রি করায় না।
আগামী ১৪ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানি। ওইদিন ফের সব পক্ষকে রিপোর্ট দিতে হবে। পুলিশকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাহায্য নিয়ে গ্যালিফ স্ট্রিটে প্রকৃত কারা ব্যবসা করার অধিকারী, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
