Calcutta High Court: দৃষ্টিহীন শিক্ষকদের পোলিং অফিসার, বড় নির্দেশ হাইকোর্টের
Calcutta High Court Notice on Poll Duty for Blind Teachers: আবেদনকারীদের তরফে বলা হয়, নিয়ম অগ্রাহ্য করেই দৃষ্টিহীন শিক্ষকদের পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের চিঠি পাঠানো হয়। তখন নিজেদের অপারগতার কাছে জানিয়ে দৃষ্টিহীন শিক্ষকরা দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইলে কর্ণপাত করা হয়নি। উল্টে শোকজ করা হয়।

কলকাতা: ভোট-পর্ব শেষ। বাংলায় প্রথমবার সরকার গড়ছে বিজেপি। শনিবার ব্রিগেডে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। কিন্তু, এই নির্বাচন ঘিরে টানাপোড়েন শেষ হচ্ছে না। এবার একটি জনস্বার্থ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনকে ৬০ দিনের মধ্যে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট। কোন জনস্বার্থ মামলায় এই নির্দেশ দিল হাইকোর্ট?
কী নিয়ে মামলা?
নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, দৃষ্টিহীন সরকারি কর্মচারীদের পোলিং অফিসার হিসেবে কাজে নিযুক্ত করা যায় না। অভিযোগ, নিয়ম অগ্রাহ্য করেই রাজ্যজুড়ে প্রায় দু’হাজার জন এমন শিক্ষককে নির্বাচনের কাজে পোলিং অফিসার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। শুধু তাই নয়, সেই কাজে তাঁরা যুক্ত হতে না পারায় তাঁদের বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশনের অঙ্গ হিসেবে শোকজ করা হয়। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।
এদিন ওই মামলার শুনানি ছিল প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানে আবেদনকারীদের তরফে বলা হয়, নিয়ম অগ্রাহ্য করেই দৃষ্টিহীন শিক্ষকদের পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের চিঠি পাঠানো হয়। তখন নিজেদের অপারগতার কাছে জানিয়ে দৃষ্টিহীন শিক্ষকরা দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইলে কর্ণপাত করা হয়নি। উল্টে শোকজ করা হয়। এরপরই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, মামলার আবেদনকারী অল বেঙ্গল ব্লাইন্ড টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে কমিশনকে দ্রুত তাদের বক্তব্য জানতে হবে এবং এবং সেই বক্তব্যের ভিত্তিতে ৬০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।
হাইকোর্টের নির্দেশে আপাতত স্বস্তির শ্বাস ফেলছেন দৃষ্টিহীন শিক্ষকরা। আইনজীবীদের একাংশ বলছে, ৬০ দিনের মধ্যে কমিশন যদি নিজেদের ভুল স্বীকার করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার না করে, তবে আইনি জটিলতা বাড়তে পারে।
