Calcutta High Court on Singur: সিঙ্গুরের জন্য ৭৬৫ কোটি ক্ষতিপূরণ দিতে হবে TATA-দের? নতুন সরকারের শপথের আগেই এল হাইকোর্টের রায়
TATA-Singur: ২০০৬ সালে টাটা গোষ্ঠীর ন্যানো প্রকল্পের জন্য সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। ২০০৮ সালে তীব্র রাজনৈতিক আন্দোলন ও প্রতিবাদের মুখে রতন টাটা সিঙ্গুর থেকে কারখানা সরিয়ে গুজরাটের সানন্দে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

কলকাতা: টাটাদের ৭৬৫.৭৮ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সিঙ্গুরে (Singur) কারখানা না করার জন্য ওই টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রাজ্যকে। আট সপ্তাহের জন্য এই স্থগিতাদেশ দিল বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের বেঞ্চ। আট সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি জমা দিতে হবে। পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়।
রাজ্যকে কত টাকা দেওয়ার নির্দেশ ছিল?
২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে একটি তিন সদস্যের সালিশি আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, সিঙ্গুরে কারখানা গড়তে না পারার জন্য টাটা মোটরসকে ৭৬৫.৭৮ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এই মূল টাকার সঙ্গে ২০১১ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে টাকা পাওয়ার দিন পর্যন্ত বার্ষিক ১১ শতাংশ হারে সুদ এবং মামলার খরচ বাবদ অতিরিক্ত ১ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমকে (WBIDC)। এই রায়ের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে তৎকালীন তৃণমূল সরকার আবেদন জানায়।
সুপ্রিম নির্দেশে জমি ফেরানোর কাজ শুরু করে তৎকালীন তৃণমূল সরকার
২০১৬-র ৩১ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট সিঙ্গুরে টাটাদের জন্য দেওয়া ৯৯৭ একর জমি অধিগ্রহণকে ‘অবৈধ’ বলে ঘোষণা করে। আদালতের নির্দেশ ছিল, ১২ সপ্তাহের মধ্যে কৃষকদের জমি ফেরত দিতে হবে। আদালতের নির্দেশে রাজ্য সরকার সেই জমি চাষযোগ্য করে কৃষকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু করে, যদিও চাষের উপযুক্ত নয় বলে অভিযোগ রয়েছে কৃষকদের মধ্য়ে।
২০০৬ সালে টাটা গোষ্ঠীর ন্যানো প্রকল্পের জন্য সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। ২০০৮ সালে তীব্র রাজনৈতিক আন্দোলন ও প্রতিবাদের মুখে রতন টাটা সিঙ্গুর থেকে কারখানা সরিয়ে গুজরাটের সানন্দে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর ‘সিঙ্গুর ল্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাক্ট’ পাস করে জমি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করে।
