Calcutta High Court: অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় বহুতল ভাঙতে দমকলের নোটিস, বড় নির্দেশ হাইকোর্টের
Calcutta High Court demolition stay: ডায়মন্ড হারবার রোডে ৬ তলা ওই আবাসনে সঠিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই। তাই, ওই বহুতলকে বিপজ্জনক বিল্ডিং হিসেবে চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে আবাসিকদের ফ্ল্যাট ফাঁকা করতে বলা হয়। দমকল বিভাগ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফ্ল্যাট ভাঙার নির্দেশ দেয় আলিপুর থানাকে। দমকল বিভাগের সেই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে জরুরি মামলা হয়। শনিবার দুপুরে জরুরি ভিত্তিতে খোলে হাইকোর্ট।

কলকাতা: অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে। রাজ্যে ক্ষমতায় এসেই স্পষ্ট করে দিয়েছে বিজেপি সরকার। যেকোনও বহুতলে সবরকম নিয়মকানুন মেনে চলার জন্যও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ফায়ার সেফটি না থাকায় ডায়মন্ড হারবার রোডে একটি বহুতল ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিল দমকল বিভাগ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিপজ্জনক বিল্ডিং ভেঙে ফেলতে নোটিস দিয়েছিল। দমকল বিভাগের সেই নোটিসে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শনিবার হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ওই বহুতল নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। কেন এই নোটিস দেওয়া হল, তাও জানতে চাইলেন বিচারপতি।
কী বলল হাইকোর্ট?
ডায়মন্ড হারবার রোডে ৬ তলা ওই আবাসনে সঠিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই। তাই, ওই বহুতলকে বিপজ্জনক বিল্ডিং হিসেবে চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে আবাসিকদের ফ্ল্যাট ফাঁকা করতে বলা হয়। দমকল বিভাগ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফ্ল্যাট ভাঙার নির্দেশ দেয় আলিপুর থানাকে। দমকল বিভাগের সেই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে জরুরি মামলা হয়। শনিবার দুপুরে জরুরি ভিত্তিতে খোলে হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসের মামলার শুনানি হয়। দমকলের নোটিসে স্থগিতাদেশ জারি করে বিচারপতি নির্দেশ দেন, ৩০ জুন পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না ওই বিল্ডিংয়ে। শুধু তাই নয়, কেন এই নোটিস দেওয়া হল, তাও জানতে চাইলেন বিচারপতি। আগামী ৮ জুন রেগুলার বেঞ্চে মামলার শুনানি হবে।
এর আগে তিলজলায় একটি বহুতলে আগুন লাগার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, বহুতলটি অবৈধভাবে নির্মাণ হয়েছে। তা ভাঙতে বুলডোজার পৌঁছে যায়। এই নিয়ে মামলা হলে হাইকোর্ট স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেয়। এদিকে, বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে পুর এবং নগরোন্নয়ন দফতর। নির্দেশিকায় জানিয়েছে, অনুমোদিত নকশা ছাড়া কোনও নির্মাণ হলে অবিলম্বে আইনি নোটিস দিতে হবে। নতুন ভবন কিংবা ফ্ল্যাটের মিউটেশনের আগে অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান ও নির্মাণকাজ শেষে শংসাপত্র (Completion Certificate) যাচাই বাধ্যতামূলক। আবাসিক ভবনের বেআইনি বাণিজ্যিক ব্যবহার রুখতেও কড়া নজরদারি চালাতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে আলাদা পরিদর্শক দল কিংবা ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে নির্দেশিকায়।
